বুদ্ধিজীবীরা মেধাবী সন্তান
আজিম উল্যাহ হানিফ
এক ঝাঁক পরিশ্রমী মেধাবী বুদ্ধিজীবী বয়সে প্রবীণ-তরুণ
রেখেছেন যারা পদে পদে এই দেশের তরে অনেক অবদান।
যুদ্ধের শেষের দিকে পরিকল্পনা করে রাও ফরমান আলী,
সাথে ছিল তার হেইট,ডুসপিক আর সানাউল বাঙ্গালী।
যুদ্ধ শেষে রায়ের বাজার বধ্যভূমিতে মেলে অনেকেরই লাশ
আমরা কি জানি পাক শাসনের ২৪ বছরের করুণ ইতিহাস!
বারো শতাধিক চিহিৃত মেধাবীকে নির্যাতনও হত্যা করা হয়,
শ্রদ্ধা জানাতে ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়।
ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে বহু মেধাবীদের নাম শুনি,
৯৯১ শিক্ষাবিদ ১৩সাংবাদিক ৪৯চিকিৎসক ৪২ উকিল অমূল্য গুণী!
আমাদের ছিল গোবিন্দ-মুনীর-মোফাজ্জল-আনোয়ার-আবুল-সিরাজুল খান,
কালাম-নাজমুল-রমনীকান্ত-নতুনচন্দ্র-মোসাব্বের-শফী-ফাইজুল-হুমায়ুন।
আরও ছিল রাশিদুল-সাজিদুল-ফজলুর-মনিরুজ্জামান-মুকতাদির-খাদেম-ওবায়দুল,
অনুদ্বৈপায়ন-সাদেক-সাদত-সন্তোষ-গিয়াস-মর্তুজা-বসাক-আসাদুল।
রাখেনি তারা হবিবুর-সুখরঞ্জন-কাইউম-আলীম-আজহারুল-ফজলে রাব্বি-শামসুদ্দীন,
সোলায়মান-আয়েশা-কসির-মনসুর-মফিজ-জাহাঙ্গীর-নুরুল-লালা-জহির রায়হান।
দেশব্যাপী প্রিয় শহীদুল্লাহ কায়সার-নিজামুদ্দীন-শরাফত-সেলিনা-মুস্তফা-সিরাজুদ্দীন,
আলতাফ মাহমুদ-ধীরেন্দ্রনাথ-রণদা-যোগেশচন্দ্র-মেহেরুন্নেসা আরও কত জন!
নতুন প্রজন্ম রশীদ-পান্না-মুনতাসীর আর মহিউদ্দিন’র গ্রন্থ-আর্কাইভে থাকবে-জানবে,
এমন মেধাবী মুখের দেশের প্রশ্নে তুলনা চলে না কিছুতে-যাই আনমনে ভেবে।
আমাদের মাঝে তাহাদের আর পাব না ফিরে,
রাখুক প্রভূ তাদের ভালো-আত্মদানের ইতিহাস রবে যুগ যুগ ধরে…







