চট্টগ্রাম কলেজ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কবি রেজাউল করিম’র প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘চেতনার স্বপ্নজাল’ এর পাঠ পর্যালোচনা সভা সম্পন্ন হয়েছে।
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের আয়োজনে মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারী’২০) সকাল ১০ টায় কলেজের জে.সি বোস ভবনের অডিটোরিয়ামে বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আনোয়ার মালেক মজুমদার এর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ মুজিবুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ মোজাহেদুল ইসলাম চৌধুরী।
মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন কবি ও প্রাবন্ধিক হাফিজ রশিদ খান।
পাঠক ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম কলেজ ইংলিশ বিভাগের প্রধান মুজিব রহমান, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুস সালাম।
এতে সভাপতিত্ব করেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান প্রফেসর মোঃ জসিম উদ্দীন খান।
প্রধান অতিথি অধ্যক্ষ মুজিবুল হক চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, রেজাউল করীম একজন চিন্তাশীল ও বাস্তববাদি কবি। চেতনার স্বপ্নজাল তার নতুন কাব্যগ্রন্থ হলেও তিনি কবিতার মাধ্যমে জাতীয় জীবনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তোলে ধরেছেন।
মুজিবুল হক চৌধুরী আরো বলেন, আমি উদ্ভিদ বিজ্ঞাণের শিক্ষক হয়েও রেজাউল করিমের “জ্বলে আমাজন” কবিতাটি পড়ে অভিভূত হয়ে যাই। যে কথাগুলো আমাদের বলা উচিত ছিলো তিনি ইতিহাসের শিক্ষক হয়ে তা নিপুনভাবে ফুটিয়ে তোলেছেন।
আব্দুস সালাম বলেন, রেজাউল করীম সাহিত্য জগতে একদম নতুন। পাশাপাশি ইতিহাসের শিক্ষক হয়ে যেভাবে কবিতার বিষয়কে ফুটিয়ে তোলেছেন তা বাংলার শিক্ষক হয়েও আমাকে বিমোহিত করে।
তিনি ছন্দ, মাত্রা এসব বিধি বিধানের ধার না ধেরে কবিতাকে টেনে এনেছেন গদ্যরীতিতে। এছাড়াও তিনি রাজনৈতিক সচেতন ও সাবেক ছাত্রনেতা হওয়াতে মানুষের রাজিনৈতিক ও মৌলিক দাবিগুলো তোলে ধরেছেন কবিতার মাধ্যমে। এছাড়াও স্বৈরাচার বিরোধি আন্দোলনের নায়ক শহীদ নূর হোসেনকে জীবন্ত পোস্টার হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তিনি।
হাফিজ রশিদ খান বলেন, শিক্ষাব্রতী রেজাউল করিমের চেতনার মিনার সুউচ্চ সৌন্দর্যে ভরাট। দেশ-জাতি ও বিশ্বমানবের কল্যাণকামিতায় এ হৃদয় রক্তস্পন্দিত। সহজ ও সাবলীল শব্দের চলাচলে তিনি তার কবিতাগুলোকে ফুটিয়ে তোলেছেন।
সভায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তানিয়া শফি, প্রভাষক সিরাজ উদ্দীন,নাহিদ ফাতেমা, ফারহানা হোসেন।
এছাড়াও সভায় গ্রন্থটির পাঠের উপর আলোচনা ও মূল্যায়ন তোলে ধরেন মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী সাফিয়া আকতার, ওমর ফারুক তানভীর, এম ওমর ফারুক আজাদসম্পন্ন হলো কবি রেজাউল করিম’র ‘চেতনার স্বপ্নজাল’ কাব্যগ্রন্থের পাঠ পর্যালোচনা সভা
চট্টগ্রাম কলেজ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কবি রেজাউল করিম’র প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘চেতনার স্বপ্নজাল’ এর পাঠ পর্যালোচনা সভা সম্পন্ন হয়েছে।
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের আয়োজনে মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারী’২০) সকাল ১০ টায় কলেজের জে.সি বোস ভবনের অডিটোরিয়ামে বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আনোয়ার মালেক মজুমদার এর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ মুজিবুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ মোজাহেদুল ইসলাম চৌধুরী।
মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন কবি ও প্রাবন্ধিক হাফিজ রশিদ খান।
পাঠক ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম কলেজ ইংলিশ বিভাগের প্রধান মুজিব রহমান, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুস সালাম।
এতে সভাপতিত্ব করেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান প্রফেসর মোঃ জসিম উদ্দীন খান।
প্রধান অতিথি অধ্যক্ষ মুজিবুল হক চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, রেজাউল করীম একজন চিন্তাশীল ও বাস্তববাদি কবি। চেতনার স্বপ্নজাল তার নতুন কাব্যগ্রন্থ হলেও তিনি কবিতার মাধ্যমে জাতীয় জীবনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তোলে ধরেছেন।
মুজিবুল হক চৌধুরী আরো বলেন, আমি উদ্ভিদ বিজ্ঞাণের শিক্ষক হয়েও রেজাউল করিমের “জ্বলে আমাজন” কবিতাটি পড়ে অভিভূত হয়ে যাই। যে কথাগুলো আমাদের বলা উচিত ছিলো তিনি ইতিহাসের শিক্ষক হয়ে তা নিপুনভাবে ফুটিয়ে তোলেছেন।
আব্দুস সালাম বলেন, রেজাউল করীম সাহিত্য জগতে একদম নতুন। পাশাপাশি ইতিহাসের শিক্ষক হয়ে যেভাবে কবিতার বিষয়কে ফুটিয়ে তোলেছেন তা বাংলার শিক্ষক হয়েও আমাকে বিমোহিত করে।
তিনি ছন্দ, মাত্রা এসব বিধি বিধানের ধার না ধেরে কবিতাকে টেনে এনেছেন গদ্যরীতিতে। এছাড়াও তিনি রাজনৈতিক সচেতন ও সাবেক ছাত্রনেতা হওয়াতে মানুষের রাজিনৈতিক ও মৌলিক দাবিগুলো তোলে ধরেছেন কবিতার মাধ্যমে। এছাড়াও স্বৈরাচার বিরোধি আন্দোলনের নায়ক শহীদ নূর হোসেনকে জীবন্ত পোস্টার হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তিনি।
হাফিজ রশিদ খান বলেন, শিক্ষাব্রতী রেজাউল করিমের চেতনার মিনার সুউচ্চ সৌন্দর্যে ভরাট। দেশ-জাতি ও বিশ্বমানবের কল্যাণকামিতায় এ হৃদয় রক্তস্পন্দিত। সহজ ও সাবলীল শব্দের চলাচলে তিনি তার কবিতাগুলোকে ফুটিয়ে তোলেছেন।
সভায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তানিয়া শফি, প্রভাষক সিরাজ উদ্দীন,নাহিদ ফাতেমা, ফারহানা হোসেন।
এছাড়াও সভায় গ্রন্থটির পাঠের উপর আলোচনা ও মূল্যায়ন তোলে ধরেন মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী সাফিয়া আকতার, ওমর ফারুক তানভীর, এম ওমর ফারুক আজাদ







