(প্রতিকি ছবি)
বগুড়ার ধুনট উপজেলার সাতটিকরী টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড বিএম কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান করে দশ বছরেও দাতা পরিবারের সদস্যের চাকরি মেলেনি। দাতা পরিবারের সদস্যরা বিচারের আশায় ঘুরছেন মানুষের কাছে।
এলাকাবাসী ও দাতা সদস্য সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাতটিকরী গ্রামে ২০০৯ সালে ‘সাতটিকরী টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড বিএম কলেজ’ প্রতিষ্ঠার জন্য ওই গ্রামের মৃত বছির উদ্দিনের ছেলে দেলোয়ার হোসেন তার ছেলে আব্দুর রাজ্জাক ও মোঃ ফেরদৌস এর চাকরির জন্য অত্র প্রতিষ্ঠানের নামে সাতটিকরী মৌজার ১৪ শতক জমি ও একই গ্রামের মোঃ জালাল উদ্দিন মন্ডলের মেয়ে মর্জিনা খাতুন তার ছেলে আব্দুল মজিদ ও মজনু মিয়ার চাকরির আশায় একই মৌজার ১৮ শতক জমি অত্র প্রতিষ্ঠানের নামে দান করে। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মো. আমজাদ হোসেন তার পছন্দ মতো লোকজন নিয়ে একটি কমিটি গঠন করে দাতা পরিবারের কাউকে চাকরি না দিয়ে তাদের পছন্দের লোকজনকে চাকরি দিয়ে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করিয়া আসছে। এদিকে দাতা সদস্যরা তাদের সন্তাদের চাকরির কথা বললে তিনি নানা কারণ দেখিয়া সময় ক্ষেপন করেন। এরই এক পর্যায়ে ২০১০ সালে দাতা সদস্য মোঃ দেলোয়ার হোসেন ও মোছাঃ মর্জিনা খাতুন বাদী হইয়া বগুড়া জেলার সহকারী জজ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। যা বর্তমানে চলমান। প্রতিষ্ঠানটি এত দিন এমপিওভূক্ত না হওয়ায় নিজ প্রতিষ্ঠানে খকালীন শিক্ষক দ্বারা পাঠ দান করলেও, শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন করা হতো অন্য কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে। তবে এ বছর প্রতিষ্ঠানটি বিএম শাখা এমপিওভূক্ত হয়েছে।
দাতা সদস্য দেলোয়ার হোসেন ও মর্জিনা খাতুন জানান, সন্তানের চাকরির আশায় নগদ টাকা ও জমি দান করেও চাকরি মিলছে না। আমাদের দুজনের দানকৃত সম্পত্তির বর্তমান মূল্য প্রায় ত্রিশ লক্ষ টাকা। আমরা না পাচ্ছি চাকরি, না পাচ্ছি জমির মূল্য। আমরা এর সুষ্টু সমাধান চাই।
এ প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও অন্যান্য সদস্যরা জানান, তাদের জমি দান করা বিষয়টি সত্য। আমরা অতি দ্রুত এই সমস্যার নিস্পত্তি করে ফেলব।
( নিউজ সম্পাদনায় হাফিজা আক্তার)









