আসসালামু আলাইকুম
বরাবর,
মাননীয়,
প্রধানমন্ত্রী মহোদয় আপনার প্রতি সবিনয়ে অনুরোধ অন্তত পক্ষে ইমাম ও মুয়াজ্জিন কুরআনের হাফেজ ক্বারী সাহেবগণের প্রতি সুদৃষ্টি রাখবেন।
শুরু হইছে রমজান মাস । সারা বিশ্বে করোনা নামক মহামারির কারনে তারাবির নামাজ ঘরে পড়তে নির্দেশ দিয়েছেন। কাজটা কিন্তু আপনি জনস্বার্থে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভালো কথা।
আর আপনার নির্দেশ যদি শরিয়ত বিরোধী না হয়, তাহলে উক্ত নির্দেশ সবিনয়ে মেনে নেওয়া আবশ্যক। সেটা আমরাও জানি।
আপনি এই দুর্যোগে দেশের চাকরিজীবী মানুষের জন্য অনেক আর্তিক সহযোগিতা করেছেন এবং সাধারন জনগনের জন্য ও অনেক সহযোগিতা করেছেন।
জনগনের সবার হাতে ত্রাণ পৌছুক বা না পৌছুক আপনি সর্বাত্মক চেস্টা করে গেছেন আর করবেন আমরা আশাবাদী।
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে,দেশের একটি সম্মানী ব্যক্তিবর্গ হলেন ইমাম, মুয়াজ্জিন, কুরআনের হাফেজ,ক্বারী সাহেবগণ। আপনি তাদের জন্য এখনও কোন সম্মাননার ব্যবস্তা করেন নি।
ইমাম, মুয়াজ্জিন,কুরআনের হাফেজ,ক্বারী সাহেবগণ বেশির ভাগই মধ্যবিত্ত/নিম্নবিত্ত শ্রেনির হয়ে থাকেন।অধিকাংশ ইমাম সাহেব ও মুয়াজ্জিন সাহেবের হাদিয়া দুই থেকে তিন,চার, পাঁচ হাজার টাকা হয়ে থাকে।
এ ছাড়া সামনে রমজান মাস মহামারির কারনে অনেক ইমাম সাহেব,মুয়াজ্জিন সাহেব, খতমে তারাবির জন্য কুরআনের হাফিজ সাহেব, ক্বারি সাহেবগণ সবাই বেকার হয়ে বাড়িতে পড়ে থাকবেন বা তাদের কর্মস্তলে তাকলেও তাদেরকে কেউ কোন ধরনের হাদিয়া দিতে পারবে না।
যদিও হাদিয়ার জন্য তাঁরা কিছু করে না, আল্লাহর ওয়াস্তে করে,কিন্তু বেঁচে থাকতে হলে তাদেরও তো খাদ্যের তাকিদে হাদিয়া প্রয়োজন।
সরকারের প্রতি সবিনয়ে অনুরোধ অন্তত পক্ষে ইমাম ও মুয়াজ্জিন কুরআনের হাফেজ ক্বারী সাহেবগণের প্রতি সুদৃষ্টি রাখবেন।
হযরত মাওলানা শাহজালাল চাঁদপুরী
ইমাম ও খতিব,
মধ্য ঠেটালিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ,
মতলব উত্তর, চাঁদপুর
Please follow and like us:








