ঢাকার দোহার উপজেলার প্রতিটি বাজারেই ব্যাপক হারে বিক্রি হচ্ছে মৌসুমি পিচফল। গ্রাম বাংলার অনেকের কাছে এটা আঁশফল বা কাঠলিচু নামেও পরিচিত। এই ফল থোকায় থোকায় লিচুর মতোই ঝুলে থাকে গাছে। এটি দেখতেও অনেকটা লিচুর মতো গোলাকার তবে আকারে ছোট এবং রসালো অংশ কম থাকে।
মূলত পিচফল বা আঁশফল গ্রাম বাংলার একটি ঐতিহ্যবাহী ফল। অনেকে এই ফলকে গরীবের লিচু বলে থাকে৷ কোন একসময় এই ফল বানিজ্যিক আকারে চাষাবাদ করা হতো। সময়ের ব্যবধানে বিদেশি ফল সহজলভ্য হওয়াতে এই ফলের চাহিদা এবং চাষাবাদ কমে গেছে। তবে বর্তমানে অনেকেই বাসাবাড়ির আঙিনায় বা ছাদবাগানে শখের বশে এই ফল গাছ রোপণ করে থাকে।
চলতি মৌসুমে দোহার উপজেলায় ব্যাপক ফলন হয়েছে পিচফলের। উপজেলার প্রায় প্রতিটি গ্রামেই বিচ্ছিন্নভাবে এই গাছ রয়েছে। অনেকে পরিবারের চাহিদা মেটানোর পরে বাড়তি ফল বাজারে বা পাইকারদের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে৷ পিচফলে মোটামুটি পুষ্টিগুণ রয়েছে এবং সেইসাথে বাজারে রয়েছে এই ফলের ব্যাপক চাহিদা। ছোটো বড় সবাই এই ফল খেতে পছন্দ করে।
পাইকারি পিচফল ব্যবসায়ী গবিন্দ দাশ জানায়, করোনাভাইরাসের এই সংকটময় মুহূর্তেও দোহারে পিচফলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আকার ভেদে একশো ফল ৭০ টাকা থেকে শুরু করে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মৌসুমের শুরুতে বড় আকারের পিচফল ১৬০ টাকা থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হয়েছে বলেও জানায় সে৷









