যশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মৌখিক নির্দেশে গেল সপ্তাহ নাগাদ বাংলাদেশে ভারতীয় পিয়াজ রফতানি বন্ধ হয়ে গেলে দেশে পর্যপ্ত পিয়াজ এর মজুদ থাকলেও অসাধু ব্যবসায়ীরা ভারতে পিয়াজ এর মুল্য বৃদ্ধি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে এই নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যটির অস্বাভাবিক হারে মুল্য বৃদ্ধি করে। পরিস্থীতি নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য সরকারের বাজার নিয়ন্ত্রন কর্মকর্তাবৃন্দ বেনাপোল সহ যশোর এলাকায় অসৎ পিয়াজ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। তাতেও পরিস্থিতীর তেমন কোন রদবদল হচ্ছিল না।
সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য একাধিক সৃুত্র মতে ভারত এর পক্ষ থেকে এরকম আকস্বিক সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ পক্ষ এই পণ্যটির স্বাভাবিক বাজার চলমান রাখার বেলায় হোচট খায়। বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় ও বানিজ্য মন্ত্রনালয় এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ এমনকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম এ মোমেন এই পরিস্থীতি নিয়ে ভারত সরকারের সাথে সক্রিয় আলোচনা শুরু করেন। কয়েকদিনের মধ্যেই একটি ইতিবাচক সমাধানে পৌছায় উভয় পক্ষ। ভারত সরকারের পক্ষে বলা হয় পুর্বেই যে সব পিয়াজের এলসি এসেছে এবং বাংলাদেশের সীমান্তে প্রবেশের অপেক্ষায় বিভিন্ন বন্দরে যে সব ট্রাক বা রেল ওয়াগনে পিয়াজ রয়েছে সেগুলো দ্রুত ছেড়ে দিতে হবে। উল্লেখ্য বেনাপোল সহ ভোমরা হিলী, সহ বিভিন্ন বন্দরে বিপরীতে নিশেধাজ্ঞার পর প্রায় ২১ হাজার মেট্রিকটন পিয়াজ প্রবেশের অপেক্ষায় ছিল।
সুত্র মতে গত শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ভারতের পক্ষ থেকে নিশেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার পর পিয়াজ ঢুকতে শুরু করেছে। গত শনিবার ভোমরা দিয়ে ৩৪১ মেট্রিক টন পিয়াজ ঢুকেছে। অন্যান্য বন্দর দিয়েও ঢুকছে। অথচ দেশের বৃহত্তম স্থল বন্দর বেনাপোল দিয়ে কোন পিয়াজ এর গাড়ি ঢুকছে না। যতদুর জানা গেছে পেট্রাপোলেও পিয়াজবাহী যান প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে কেন বেনাপোল দিয়ে গত দুইদিন পেয়াজ ঢুকছে না এর কারণ কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছে না।
বেনাপোল স্থল বন্দরের কাচামাল ইয়ার্ড (২২ নং শেড) এর ট্রাফিক পরিদর্শক সগীর আহম্মেদ বলেন গত দু’দিন আমাদের শেডে কোন পিয়াজের গাড়ী ঢোকেনি। এ ব্যাপারে স্থল বন্দরের উপ-পরিচালক মামুন কবির তরফদার বলেন কি কারনে পিয়াজের গাড়ি বেনাপোলে ঢোকেনি তা নিশ্চত করে বলতে পারছি না। তবে আমাদেরকে পেট্রাপোল বন্দরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে পিয়াজ এর গাড়ি থাকলে আমরা পাঠিয়ে দিব।
Please follow and like us:









