গত মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেস বুকে ‘ফেনীর তালাশ’ নামক একটি আইডিতে “ছাগলনাইয়ায় যৌতুকের জন্য শশুরকে মারধর শিরোনামে একটি সংবাদ ও ভিডিও প্রচার করা হয়। সংবাদে বলা হয় ফেনীর ছাগলনাইয়ায় বাঁশপাড়া মজুমদার বাড়ীতে যৌতুকের জন্য শশুরকে মারধর করেছে মেয়ের জামাই একরাম হোসেন। প্রকাশিত সংবাদটি সম্পুর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত দাবি করে প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) একরাম হোসেনের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার বাদি হয়ে ছাগলনাইয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করে ( নং- ১৮৮/২১, তাং- ৪-২-২০২১)। একই দিন ছাগলনাইয়া পৌর শহরের একটি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলন করে তাহমিনা আক্তার। এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, একরাম হোসেন, ও তাহমিনা আক্তারের মা ছবুরা আক্তার। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তামিনা আক্তার বলেন, দীর্ঘ ৬ বছর যাবত একরামের সাথে আমি সুখে শান্তিতে সংসার করছি। আমাদের বিয়ের পর থেকে একরাম কখনো আমার পিতা মাতার সাথে খারাপ আচরণ করেনি। অথচ, ফেনীর তালাশ নামক ফেসবুক আইডিতে আমাদের পরিবারকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করতে বিভ্রান্তির সংবাদ প্রচার করেছে। এসময় একরাম হোসেন সাংবাদিকদের জানান, আমি একজন সম্মানি ব্যক্তি। আমাকে হেয় করতে এমন বানোয়াট ও সাজানো সংবাদ কে বা কাহারা প্রচার করিয়েছে। মুলত আমার শশুরের সাথে আমার কোন খারাপ কিছু হয়নি। একরামের শাশুড়ী ছবুরা বেগমও বলেন, আমার মেয়ের জামাই একরাম একজন ভালো ছেলে। একরাম আমাদের সাথে অন্যায় আচরণ করেনি এবং অন্যায় আবদারও করেনি।
অন্যদিকে একরাম যৌতুক দাবি করেনি এমন সত্য স্বীকার করেছে শশুর শফিকর রহমান। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে যে ভিডিও প্রচার করা হয়েছে তার সত্যতা নিশ্চত করে শফিকুর রহমান নয়াআলোকে জানান, আমাদের পারিবারিক বিষয়কে কেন্দ্র করে ৪/৫ জন মিলিত হয়ে আমাকে বেধড়ক মারধর করেছে। তবে কারা মারধর করেছে তা জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।
Please follow and like us:









