ডুমুরিয়ায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কুচকাওয়াজ, আলোচনা সভা এবং বিশেষ আলোক সজ্জার আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় ডুমুরিয়া কলেজ মাঠে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবিতা সরকারের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা ৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলি আজগর লবী এমপি। এসময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি অমিত কুমার বিশ্বাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নূরুল ইসলাম মানিক, ডেপুটি কমান্ডার নূরুন নবী খোকা, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল কবির, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দিবাষীশ বিশ্বাস, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ হাবিবুর রহমান, সমাজসেবা কর্মকর্তা মনোজ কান্তি রায়, ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহতাব হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক এম এ এরশাদ, বেলায়েত হোসেন, শেখ জাহিদুর রহমান বিপ্লব, শেখ হাবিবুর রহমান, আব্দুর রশিদ বাচ্চু, ইলিয়াস হোসাইন, এনামুল বাসার টিটো, আব্দুল মজিদ, মোক্তার হোসেন, আরিফুজ্জামান নয়ন, মহিদুল ইসলাম খান, সোহেল আহমদ, ফরিদুল ইসলাম।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি আলি আসগার লবি এমপি বলেন, ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল দিন। আমাদের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। আজ আমরা স্বাধীনতার ৫৫ বছর উদযাপন করছি। এই দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন নিরীহ বাঙালিদের ওপর ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে বর্বরোচিত হামলা শুরু করে। তখন মেজর জিয়াউর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এই দিনটি মূলত পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্ম প্রকাশের প্রতীক। ২৬শে মার্চ থেকেই শুরু হয়েছিল আমাদের ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। যার বিনিময়ে আমরা পেয়েছি লল-সবুজের পতাকা।
Please follow and like us:









