, , ,

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • করোনা-ভাইরাস
  • ঠাকুরগাঁও গড়েয়ায় হাতের ছাপ ও চোখের আইরিস ছাড়া স্মার্ট কার্ড বিতরণ




ঠাকুরগাঁও গড়েয়ায় হাতের ছাপ ও চোখের আইরিস ছাড়া স্মার্ট কার্ড বিতরণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

আপডেট টাইম : মে ২১ ২০১৮, ১৭:৫৮ | 802 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

ঠাকুরগাঁও সদর প্রতিনিধিঃ- ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নে ভুয়া স্মার্ট কার্ড বিতরণের অভিযোগ উঠেছে ।

১৯ মে শনিবার গড়েয়া ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য সেবা কেন্দ্রের উদ্যোক্তা জুয়েল ও তার সহযোগী কুমদ চন্দ্র বর্মন এর নামে হাতের ছাপ, চোখে আইরিস ও ব্যাংক চালান ছাড়া কার্ড বিতরণের  অভিযোগ উঠেছে ।

১২মে থেকে ১৯ মে জুয়েল ও তার সহযোগী কুমদ চন্দ্র বর্মন বিভিন্ন জনসাধারণকে স্মার্ট কার্ড দেওয়ার কথা বলে প্রায় ৫ লক্ষ্য টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে জানা গেছে ।জাতীয় পরিচয় পত্র হারিয়ে গেলে ৩৪৫/-টাকা ব্যাংকে জমা দিয়ে চালান কপি সহ আইডি নম্বর অথবা ফটো কপি সংঙ্গে নিয়ে আসতে হবে। এই সুযোগটিই তারা কাজে লাগিয়ে ব্যাংক ড্রাফ করার জন্য সাধারণ জনগণের কাছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা হাতিয়ে নিয়ে কোনো ব্যাংক ড্রাফ চালান , হাতের ছাঁপ ও চোখের আইরিস না নিয়েই কার্ড বিতরণ করে।এ বিষয়ে স্থানীয় লোকজন জানতে চাইলে জুয়েল ও তার সহযোগী কুমদ চন্দ্র বর্মন বলে এগুলোর কোন প্রয়োজন নেই । এভাবে তারা অনেক গুলো কার্ড বিতরণ করেছে , এ বিষয়ে প্রশ্ন হলো  হাজার হাজার মানুষ হাতের ছাঁপ ও চোখের আইরিস দেওয়ার জন্য যেখানে রোজা রেখে দুপুরের প্রচণ্ড রোদে লাইনে দাঁড়িয়ে আছে , সেখানে চোখের আইরিস ও হাতের ছাঁপ তাদের কাছে কোন প্রয়োজনই নেই ।স্মার্ট কার্ড গ্রহণের সময় অবশ্যই নিজেকে উপস্থিত থাকতে হবে কিন্তু তাদের কাছে না থাকলেও চলবে , প্রয়োজনে বাসায় গিয়ে দিয়ে আসবে বলে জানায় । অথচ এই স্মার্ট কার্ড বিতরণ কেন্দ্র ব্যতীত অন্য কোথাও সংগ্রহ করা যাবে না কিন্তু তাদের কাছে কি ভাবে পাওয়া যায় ।

কয়েক জন স্থানীয় লোক কেন্দ্রে র্কতব্যরত অফিসার এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন ব্যাংক ড্রাফ চালান কপি, হতের ছাঁপ ও চোখের আইরিস অবশ্যই লাগবে এগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ  এই কথা শুনে জন সাধারণ গড়েয়া তথ্য অফিস ঘেরাও করলে জুয়েল ও তার সহযোগী কুমদ চন্দ্র বর্মন সকলের চোখে ফাঁকি দিয়ে অফিস ছেড়ে পালিয়ে যায় । অনেক খোজাখুজি করে তাদেরকে পাওয়া না গেলে  পরিষদের একজন সদস্য এসে অফিসের গেটে তালা ঝুলিয়ে দেয়। তাদের বিরুদ্ধে জন্ম নিবন্ধনের কার্ড করতে ৩ থেকে ৬ মাস  সময় লাগে, মানুষের কাছে ৪০০ থেকে ৫০০ শত টাকা নিয়ে হয়রানির অভিযোগও রয়েছে ।

এ বিষয়ে জেলা  নির্বাচন অফিসার সংঙ্গে মোবাইল ফোনে কয়েকবার যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি , গড়েয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাহেব জন সাধারণের উদ্দেশ্যে বলেন ঘটনাটি  তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ারপ্রতিশ্রুতি  দেন এবং সকলের টাকা ফেরত নিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন ।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET