নজরুল ইসলাম চৌধুরীঃ
ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের মধ্যম জয়চাঁদপুর গ্রামটি দেখেই বুঝা যায় উন্নয়নে ছোঁয়া থেকে অনেকটাই বঞ্চিত স্থানীয়রা। নেই রাস্তাঘাটের সংস্কার। দীর্ঘ পথ কাচা রাস্তা। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তা গুলো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এখানে শতশত পরিবারের বসবাস। ফেনী নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয়েছে স্থানীয়দের সহায়-সম্বল। যাওয়ার যে কোথায় স্থান নেই। তাই চরেই তাদের থাকতে হচ্ছে।

চরের পাশ দিয়ে যাওয়ার পথে দেখাগেলো পুর্ব জয়চাঁদপুর এনাম সওদাগর বাড়ী নামে পরিচিত একটি বাড়ীর ছোট্ট একটি টিনের ভাঙ্গা ঘর। দেখা মনে হচ্ছে এখনই ঘরটি ভেঙ্গে মাটিতে পড়বে। ঐ ঘরের কর্তী জান্নাতুল ফেরদৌস বললেন কি দেখছেন ভাই? না, কিছুনা। জান্নাত বলল, আমার ঘরটি পড়ে যাচ্ছে সেটাই দেখছেন তাইনা?
জান্নাতের চোখে পানি দেখে জিজ্ঞেস করলাম কেনো কাঁদছেন? বলল, ১ ছেলে ও ২ মেয়ে নিয়ে এই ঝুঁকিপূর্ণ ভাঙ্গা ঘরে থাকি আমি ও আমার দিন মজুর স্বামী মোঃ খায়েজ আহম্মদ প্রকাশ খাজু মিয়া। ভারী বাতাস আসলেই চিন্তা হয় কখন যে ঘরটি ভেঙ্গে পড়ে। একদিকে হেলে পড়েছে ঘরটি। বাঁশের খুঁটি দিয়ে হেলে পড়া থেকে ঠেকানোর চেস্টা করা হলেও পড়ে যাবে যেকোনো সময়। জান্নাত বলল, স্বামী অন্যের জমিতে কাজ করে সামান্য রোজগার করে। তাতে সংসারের খরচ চালানো কঠিন হচ্ছে। কি করে ঘর সংস্কার করবো? তুফান এলেই স্বামী-সন্তান নিয়ে চলে যায় অন্যত্র। কারণ, ঘরটি ভেঙ্গে পড়তে পারে ছেলে-মেয়েদের শরীরের উপর।
এমন সমস্যার বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ সেলিমকে বললে তিনি বলেন, তারা আমাকে বিষয়টি জানায়নি। তবে তারা আমার নিকট আসলে ঘরটি মেরামতের ব্যবস্থা করবো।









