, , ,

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • বিনোদন
  • সংবাদ সম্মেলন ভুল চিকিৎসায় দুই কিডনি গায়েব // এখন কেমন আছেন পরিচালক রফিক শিকদারের মা




সংবাদ সম্মেলন ভুল চিকিৎসায় দুই কিডনি গায়েব // এখন কেমন আছেন পরিচালক রফিক শিকদারের মা

মোহাম্মদ ইমন মিয়া, বাঙ্গরা,কুমিল্লা করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : অক্টোবর ২৯ ২০১৮, ১৮:২৬ | 858 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

মারুফ সরকার, বিনোদন প্রতিবেদকঃ
পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেছেন, বিএসএমএমইউ-এর ডাক্তার হাবিবুর রহমান দুলাল আমাদের এই পরিচালক সমিতিতে এসে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে সই দিয়ে গিয়েছিলেন যে, রফিক শিকদারের মায়ের কিডনির ব্যবস্থা তিনি করে দিবেন। যতটাকা লাগে তিনি তাকে সুস্থ করে তুলবেন। রফিকের খালা কিডনি দিতে রাজি হলে তিনি যাবতীয় খরচ বহনের মাধ্যমে লিখিত দিয়ে যান গত ১ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে। কিন্তু সবকিছু বলে এখন পর্যন্ত তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি এবং কারো সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। এ ধরনের ডাক্তার নামের দুবৃত্তদের কঠিন বিচার হওয়া উচিৎ।

রোববার (২৮ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে তিনটায় বিএফডিসির পরিচালক সমিতিতে এক সংবাদ সম্মেলনে মুশফিকুর রহমান গুলজার এসব কথা বলেন। এসময় বিষয়টি তুলে ধরেন ভুক্তভোগি মায়ের সন্তান চলচ্চিত্র পরিচালক রফিক শিকদার। সংবাদ সস্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন, সাবেক সভাপতি দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, জ্যেষ্ঠ পরিচালক শাহ আলম কিরণ প্রমুখ।

রফিক শিকদার বলেন, আমার মায়ের কিডনিতে সমস্যা দেখা দিলে আমরা তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজী বিভাগের প্রফেসর ডাক্তার হাবিবুর রহমান দুলালের তত্ত্বাবধানে ভর্তি করি। তিনি বিভিন্ন পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর জানান মায়ের বাম কিডনিতে একটু সমস্যা আছে। তাই এই কিডনিটি ফেলে দিতে হবে। আমরা প্রথমে রাজি না হলেও পরবর্তীতে ডাক্তারের কথায় আমরা রাজি হই। অপারেশনের পর আমরা জানতে পারি মায়ের দু’টি কিডনিই কেটে ফেলা হয়েছে। মা এখন মুমূর্ষ অবস্থা পড়ে আছে।

কিভাবে জানলেন দু’টি কিডনিই নেই? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রফিক শিকদার বলেন, অপারেশনের পর কর্তব্যরত ডাক্তার আমাকে বলেন, অপারেশনের পর থেকেই সুস্থ কিডনিটি আর কাজ করছে না। তাই দ্রুত তাকে আইসিইউতে নিতে হবে। আমাদের এখানে আইসিইউ খালি নেই। আপনারা কোনো বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান।

‘পরে আমরা ইনসাফ বারাকা কিডনি হাপাতালের আইসিউতে মাকে ভর্তি করালে তারা আমাদের কয়েকটি টেস্ট করতে দেয়। আমরা সে টেস্টগুলো ল্যাবএইড হাসপাতালে করি। গত ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে ল্যাবএইড হাসপাতালে সিটিস্ক্যান করালে তারা জানায় মায়ের মধ্যে কিডনির কোনো অস্তিত্বই নেই। এরপর ইনসাফ বারাকা কিডনি হাসপাতালের ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ফখরুল ইসলাম কথা বলেন ডা. হাবিবুর রহমান দুলালের সঙ্গে। পরে মাকে আবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যালে ভর্তি করানো হয়।’ বললেন রফিক শিকদার।

রফিক শিকদার আরও বলেন, আমার মাকে কেন্দ্র করে ইউনিভার্সিটি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে সেখানেও কমিটিতে অভিযুক্ত ডাক্তার দুলালকে রাখা হয়। আমি আরেকটি কথা বলতে চাই- আমার মাকে যখন হাসপাতালে ভর্তি করি ওই সময় সেখানে অত্র হাসপাতালের ডা মামুনের মাকে ভর্তি করানো হয়। তার দুটি কিডনিই নষ্ট ছিল। আর এখন তিনি পুরোপুরি সুস্থ। আমি জানতে চাই তারা দুটি কিডনি কোথায় পেলেন?

বর্তমানে মায়ের অবস্থা সম্পর্কে রফিক বলেন, আমার মায়ের অবস্থা খুবই খারাপ। তিনি এখন ডিপ কোমাতে আছেন। বেঁচে আছেন কি- নাই তা আমরা জানি না। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি, আমার মায়ের সঙ্গে যা করা হলো এটা যেন আর কোনো মায়ের সঙ্গে না হয়। আমরা আজিবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। আমার মায়ের নৌকার বাহিরে আর কোথায়ও আঙুলের ছাপ পড়েনি। আমি এর সুষ্ঠ বিচার চাই।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET