এন.আই.মিলন, দিনাজপুর প্রতিনিধি – দিনাজপুরের বীরগঞ্জে প্রায় ৮০/৯০টি হিন্দু
পরিবারের যাতায়াতের প্রায় ১শত বছরের রাস্তা কেটে জনগনের চলাচলের প্রতিব ন্ধোকতা সৃষ্টি করার বাধা দেওয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগে ফুসে উঠেছে এলাকা বাসী। উপজেলার নিজপাড়া ইউনিয়নের নতুনহাট এলাকার ঝাড়পাড়া গ্রামে প্রায় ৮০/৯০টি হিন্দু পরিবার বসবাস করে, সেখানে দূর্গা মন্ডপ, কালীপুজা মন্ডপ, হরিবাশর মন্ডপ রয়েছে। তারা প্রায় একশ বছর ধরে যে রাস্তাটি দিয়ে যাতায়াত করে সেই রাস্তাটি গত ১৩ জুলাই শনিবার মৃত আমজাদ আলীর পুত্র আব্দুল হান্নান লোকজন লাগিয়ে রাস্তাটি কেটে জনগনের চলাচলের প্রতিব ন্ধোকতা সৃষ্টি করে। এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে নিজপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম.এ খালেক সরকার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে রাস্তা কাটা বন্ধের কথা বল্লে আব্দুল হান্নানের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন লোক চেয়ারম্যানের উপর চড়াও হয় এবং মিথ্যা মামলা সহ হয়রানীর হুমকী দেয়। ২২ জুলাই সোমবার সংবাদ পেয়ে ঘটনা স্থলে গেলে, স্থানীয় জয়ন্ত, হরিদাস সহ এলাকাবাসী উপরোক্ত অভিযোগ সহ জানায়, উক্ত রাস্তার পার্শের জমিটি রাজশাহী শহরের বাসিন্দা বাংলা দেশ ব্যাংকে কর্মরত সাইফুল ইসলাম নামক ১ ব্যাক্তির। যিনি হলমার্ক কেলেং কারীর ৩নং আসামী হয়ে পলাতক রয়েছে। এই এলাকায় তার প্রায় ৫০/৬০ বিঘা জমি রয়েছে। সাইফুল ইসলাম পলাতক থাকার সুযোগে আব্দুল হান্নান ঐ জমিগুলি ভোগদখল করে খাচ্ছে এবং বিক্রয় করছে। যাহা বর্তমানে রেজিষ্ট্রি দিতে পারছে না। এব্যপারে নিজপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম.এ খালেক সরকার জানায়, জামাত বিএনপির দোষর আব্দুল হান্নান কল্ল্যানী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (বিএসসি) ছিলেন, তিনি নারী কেলেং কারীর অভিযোগে চাকুরী হারায়। আব্দুল হান্নান গংদের মিথ্যা মামলা ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের ভয়ে এলাকার ৪/৫টি হিন্দু পরিবার ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। এখন আমাকেও মিথ্যা মামলা সহ হয়রানীর হুমকী দিচ্ছে। সে আমাকে একটি উকিল নোটিশ দিয়েছে। অপরদিকে আব্দুল হান্নানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।









