মোঃ জহির রায়হান-সিরাজগঞ্জঃ- সারাদিন মাথার ঘাম পায়ে ফেলে পরিশ্রম করা বৃদ্ধ নির্মান শ্রমিক নুরনবীর আর বাড়ি ফেরা হল না,
কেনা হল না পরিবারের অনাহারে থাকা সদস্যদের জন্য চাল। কে আনবে বৃদ্ধা স্ত্রীর ঔষধ? সত্যিই এ
যেন এক ভাগ্যের নির্মম পরিহাস।
অন্যদিকে আহত নির্মান শ্রমিক মকবুলের চিকিৎসা খরচ কোথায় পাবে ? আর সংসার কিভাবে চলবে ?
এ নিয়ে শহর জুরে আলোচনা চলছে সাধারন মানুষদের মনে।
সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার মোক্তারপাড়ায় ড্রেনের নির্মান কাজ করার সময় শনিবার বিকাল ৩টায়
দেওয়াল ধসে নুরনবী (৬৫) নামে এক বৃদ্ধ নির্মাণ শ্রমিক নিহত হয়েছে ও আরেক বয়ষ্ক
নির্মান শ্রমিক মকবুল হোসেন (৬০)আহত হন।
নিহত নুরনবী সদর উপজেলার কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের চুনিয়াহাটি গ্রামের বাসিন্দা। আহত
মকবুলের বাড়িও একই গ্রামে। নিহত ও আহত হওয়া দুই শ্রমিকের পরিবারই শোকে দিশেহারা।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দাউদ জানান, পৌরসভার বাস্তবায়নাধীন
ড্রেন নির্মাণ প্রকল্পের কাজ চলছিল মোক্তারপাড়ায়। ওই এলাকার মাইনুল রেজার বাসার দেয়াল ঘেষে
নির্মাণাধীন ওই ড্রেনের ভেতরে নেমে খনন করছিলেন নুরনবী ও মকবুল। এ সময় ওই বাসার দেয়াল
ধসে পড়লে তার নিচে চাপা পড়ে ওই দুই শ্রমিক। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে করে হাসপাতালে
নেয়ার পথে নুরনবী মারা যান। মকবুলের অবস্থা আশঙ্কা হওয়ায় তাকে বগুড়া জিয়াউর রহমান
মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়।
মকবুলের পরিবারের আর্থিক কোন সংগতি নাই তার চিকিৎসা খরচ বহন করার তাই ঠিকাদার ও
পৌর কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।









