আহসান হাবীব মহেশপুর প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরের সীমান্ত এলাকা কৃমিনাশক ট্যাবলেট খেয়ে অর্ধশত স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার সকালে মহেশপুর উপজেলার সীমান্ত এলাকার সলেমানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা নিজ হাতে প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ান। ট্যাবলেট খাওয়ার আধা ঘন্টা পরে প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রী হঠাৎ করে গুরুতর অসুস্ত হয়ে পড়ে।তাদের মধ্য সব থেকে গুরুতর অসুস্ত হয়ে পড়েছে, দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী সুমাইয়া, পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র মেহেদী , পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী সুমাইয়া , দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী যমুনা, দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী সুমাইয়া খাতুন ,দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র সুমন , ছাত্রী শাবানা খাতুন, টিয়ানা খতিুন, সোহাগী খাতুন, শারমিনা খাতুন, শিউলি, রাজ্জাক, আমেনা, মধুমালাসহ অর্ধশত ছাত্র-ছাত্রী। অসুস্ত ছাত্র-ছাত্রীদেরকে নেপার মোড়ে অবস্থিত তিনটি ক্লিনিকসহ বিভিন্ন বেসরকারী ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।নেপা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামছুল আলম মৃধা জানান, আমি সকালেই স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা কৃমিনাশক ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হওয়ার খবর পেয়েছি। পরে আমি তাদেরকে ক্লিনিকে দেখতে গিয়েছি। তবে ভয়ের কিছু নেই।উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডাঃ নাসির উদ্দিন জানান, কৃমিনাশক ট্যাবলেট খেয়ে কেউ অসুস্থ হয়নি। তবে অতিরিক্ত তাপমাত্রার (গরমোর) কারনে এ ঘটনাটি ঘটেছে। আমি সকালেই খবর পাওয়ার সাথে সাথেই ঐ স্কুলে চলে গিয়েছি। প্রতিটি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে চিকিৎসার খোজ খবর নিয়েছি। তবে ভয়ের কিছুই নেই।স্কুলেই সব ছেলে-মেয়েরাই বর্তমানে সুস্থ আছে।









