প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার কুমিল্লার নাঙ্গলকোট রাইটার্স এসোসিয়েশনের উদ্যোগে নাঙ্গলকোট হাসান মেমোরিয়াল সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের আহবায়ক ডা. একে এম মারুফ হোসেনের সভাপতিত্বে বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- রবিউল হোসেন,শাখাওয়াত হোসেন, অশ্রু শাহ আলম, মো: আরিফুর রহমান, মৌলভী সফিকুর রহমান, কবি আজিম উল্যাহ হানিফ প্রমুখ। বক্তারা বলেন-সুপারি বাংলাদেশের অর্থকরী ফসল। সুপারি গাছের উৎপত্তি ফিলিপাইনে হয়েছিল। প্রতি ১০০ গ্রাম সুপারিতে আছে ২৮৯ ক্যালরি শক্তি যোগানের ক্ষমতা। ক্রিমি, রক্ত, আমাশয়, অর্জীন ইত্যাদি রোগ নিরাময়েও সুপারি উপকারী। সুপারি গাছ এক ধরণের পামজাতীয় উদ্ভিদ। এটি প্রধানত গ্রীষ্মকালীন অঞ্চলে বিশেষ করে এশিয়া, পূর্ব আফ্রিকা ও প্রশান্ত মহাসাগর সংলগ্ন অঞ্চলে দেখা যায়। বাংলাদেশ সব জায়গায় এটি আছে। তবে বেশি দেখা যায় লক্ষীপুর জেলায়। এটি সাধারণত বাগান আকারে বাড়ির আশেপাশে বা পুকুর ধারে গাছ লাগানো হয়। এটি প্রায় ২০-২৫ মিটার লম্বা হয়। একটি পূর্ণবয়স্ক গাছে প্রতি বছর প্রায় ২০০ থেকে ৫০০টি ফল উৎপন্ন হতে পারে। গাছ সাধারণত ৪-৫ বছরের মধ্যে ফল ধরা শুরু করে এবং প্রায় ৫০ বছর পর্যন্ত ফল উৎপাদন করতে সক্ষম। সুপারি চাষ শুধু স্থানীয় চাহিদা পূরণে নয় বরং আর্ন্তজাতিক বাজারেও বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে সাহায্য করে। চাষের পদ্ধতি, চারার মান এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনার সঠিক জ্ঞান থাকলে এই গাছ থেকে চাষিরা ভালো মুনাফা অর্জন করতে পারেন। এর উৎপাদন থেকে শুরু করে বাজারজাত পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে অনেক মানুষের জীবিকা নির্ভর করে। সুপারি খেলে মুখে ঘা কমতে পারে, কোষ্ঠকাঠিন্য ও বদ হজমের সমস্যা নিরাময় করতে পারে। আবার সুপারি অতিরিক্ত খেলে উচ্চ রক্তচাপ, বুক ধড়ফড়ানি, ডায়াবেটিস,হাপানি ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।








