জার্মানির মেনডিং এ অনুষ্ঠিত বার্ষিক সম্মেলনে বিশ্বনবী ও শ্রেষ্ঠনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুপম শিক্ষার আলোকে বিশ্বে ন্যায়নীতি ও শান্তি স্থাপনের আহ্বান।
২৯ আগস্ট শুক্রবার বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫.৪৫মি. বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জাতীয় পতাকার সাথে আহমদীয়া জামা’তের পতাকা উত্তোলন ও দোয়ার মাধ্যমে আহমদীয়া মুসলিম জামা’ত জার্মানির ৪৯তম বার্ষিক জলসার উদ্বোধন করেন আহমদীয়া মুসলিম জামা’ত, জার্মানির ন্যাশন্যাল আমীর আব্দুল্লাহ ওয়াগিস হাউজার। ৩১ আগস্ট বাংলাদেশ সময় রাত ১০.৪৫মিনিটে যুক্তরাজ্য থেকে বিশ্ব আহমদীয়া খলীফা হযরত মির্যা মাসরূর আহমদ (আই.)-এর সমাপ্তি ভাষণ ও দোয়ার মাধ্যমে জলসার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
জার্মানির এই বৃহত্তম মুসলিম সম্মেলনে সমবেত হয়েছিলেন প্রায় ৫০ হাজার আহমদী মুসলিমগণ। জলসায় বিভিন্ন বক্তাগণ পবিত্র কুরআনের অনুপম সৌন্দর্য, শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় মহানবীর (সা.) অতুলনীয় আদর্শ, সোস্যাল মিডিয়ার মন্দ প্রভাব থেকে রক্ষার উপায়, খিলাফত ও আহমদীয়া জামাতের মাঝে পারস্পরিক ভালোবাসা এবং সৌহার্দ্রপূর্ণ পারিবারিক জীবন, প্যালেস্টাইনের মুসলমানদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আহমদীয়া মুসলিম জামা’তের অবদান ইত্যাদি বিষয়ে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন। জলসার সমাপ্তি বক্তব্যে আহমদীয়া খলীফা হযরত ইমাম মাহদী (আ.) এর সত্যতা এবং বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বিরোধিতা সত্ত্বেও আহমদীয়া জামাতের অগ্রগতি কীভাবে হচ্ছে তার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। বিশ্বে শান্তি ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আহমদী মুসলমানদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কেও তিনি দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
শেষে তিনি বিশ্বের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন। জলসা উপলক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ভিডিও ও লিখিত বার্তা প্রেরণ করেন।
উল্লেখ্য, ১৯২২ সালে বাংলার কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ খান সাহেব মৌলবী মোবারক আলী সর্ব প্রথম জার্মানিতে আহমদীয়া মুসলিম জামাতের পক্ষ থেকে ইসলাম প্রচারক ও ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
জার্মানির এই বৃহত্তম মুসলিম সম্মেলনে সমবেত হয়েছিলেন প্রায় ৫০ হাজার আহমদী মুসলিমগণ। জলসায় বিভিন্ন বক্তাগণ পবিত্র কুরআনের অনুপম সৌন্দর্য, শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় মহানবীর (সা.) অতুলনীয় আদর্শ, সোস্যাল মিডিয়ার মন্দ প্রভাব থেকে রক্ষার উপায়, খিলাফত ও আহমদীয়া জামাতের মাঝে পারস্পরিক ভালোবাসা এবং সৌহার্দ্রপূর্ণ পারিবারিক জীবন, প্যালেস্টাইনের মুসলমানদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আহমদীয়া মুসলিম জামা’তের অবদান ইত্যাদি বিষয়ে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন। জলসার সমাপ্তি বক্তব্যে আহমদীয়া খলীফা হযরত ইমাম মাহদী (আ.) এর সত্যতা এবং বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বিরোধিতা সত্ত্বেও আহমদীয়া জামাতের অগ্রগতি কীভাবে হচ্ছে তার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। বিশ্বে শান্তি ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আহমদী মুসলমানদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কেও তিনি দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
শেষে তিনি বিশ্বের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন। জলসা উপলক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ভিডিও ও লিখিত বার্তা প্রেরণ করেন।
উল্লেখ্য, ১৯২২ সালে বাংলার কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ খান সাহেব মৌলবী মোবারক আলী সর্ব প্রথম জার্মানিতে আহমদীয়া মুসলিম জামাতের পক্ষ থেকে ইসলাম প্রচারক ও ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
Please follow and like us:









