সিরাজগঞ্জে ফেসবুকের মাধ্যমে প্রচার হওয়া আমাদের সিরাজগঞ্জের সংবাদ অনুষ্ঠানটি ইতি মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সিরাজগঞ্জে তরুণ সাংবাদিক এ টি এন বাংলা ও এ টি এন নিউজের সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি , বাংলাদেশ টেলিভিশন ফোরাম সিরাজগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস হাসান। উক্ত অনুষ্ঠানটিতে প্রতিদিন সকাল ৯ ঘটিকার সময় ফেরদৌস হাসান আইডি থেকে সিরাজগঞ্জের স্থানীয় পত্রিকা দেনিক অনুসন্ধানী খবর, দৈনিক যুগের কথা, দৈনিক আজকের সিরাজগঞ্জ, দৈনিক কলম সৈনিক, দৈনিক সিরাজগঞ্জ বার্তা, দৈনিক যমুনা প্রবাহ, পত্রিকার সকল সংবাদের হেড লাইন বলা হয়। নিউজের উপর ভিক্তি করে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সেই সাথে অনুষ্ঠানে সিরাজগঞ্জের গুনি মানুষ, সামাজিক/রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সাদা মনের মানুষদের আমন্ত্রণ করে সিরাজগঞ্জের কি ভাবে উন্নয়ন করা যায় সেই বিষয় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানটির ব্যাপারে সিারাজগঞ্জ জেলা প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক সমিতির সভাপতি আমিনুর ইসলাম বলেন, সিরাজগঞ্জের সংবাদ শোনা/পড়া আমার নেশা। অনেক সময় কাজের চাপে স্থানীয় পত্রিকার নিউজ গুলো দেখা হয় না। বর্তমানে সাংবাদিক ফেরদৌস হাসান আইডি থেকে যে আমাদের সিরাজগঞ্জের সংবাদ অনুষ্ঠানটি হয় আমি অনুষ্ঠানটি দেখি, কোন দিন সকালে দেখার সময় না হলে পড়ে সময় হলে দেখে নেই। অনুষ্ঠানটির শিরনাম শুনে যে সংবাদ জানার ইচ্ছা হয় পরে পত্রিকাটি সংরহ করে নেই। সিরাজগঞ্জের সন্তান মালয়েশিয়া প্রবাসি মোঃ আনন্দ সেখ বলেন, বিদেশে থেকে সিরাজগঞ্জের সব কিছু মিস করি। তাই অবসরে সিরাজগঞ্জের বন্ধুরা যখন অনলাইনে থাকত ফোন দিয়ে খবর নিতাম। কিন্তু তারা সবকিছু বলতে পারত না। কিন্তু সাংবাদিক ফেরদৌস হাসানের ফেসবুক আইডি থেকে আমাদের সিরাজগঞ্জের সংবাদ অনুষ্ঠানটি করায় এক সংঙ্গে সকল খবর গুলো জানতে পারি আমার সিরাজগঞ্জের খবর শুনতে অনেক ভালো লাগে। আমাদের সিরাজগঞ্জের সংবাদ অনুষ্ঠানের পরিচালক ফেরদৌস হাসানের সাথে অনুষ্ঠানের ব্যাপারে তাকে একটি প্রশ্ন করা হয়, এই অনুষ্ঠানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করছে এবং সিরাজগঞ্জের মানুষ অনুষ্ঠানটি দেখে সংবাদ জানার যে একটা খুদা সে টা নিবারণ হচ্ছে কিন্তু আপনার ত এখানে সময়, শ্রম, অর্থ সবি দিচ্ছেন এখান থেকে ত কোন অর্থ আপনি পাচ্ছেন না তার উত্তরে সাংবাদিক ফেরদৌস হাসান ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, মানুষের প্রতি ভালবাসার টানে পেশাগত কারণেই দায় বদ্ধতা থেকেই অনুষ্ঠানটি করে থাকি। কারণ আমি যে মিডিয়ায় কাজ করি বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশী জনপ্রিয় দুটি মিডিয়া। কিন্তু সেই মিডিয়া দুটির মাধ্যমে কি সিরাজগঞ্জের সব খবরাখবর জানাতে পারি? না। কিন্তু আমি অনেক দিন ধরেই ভাবছিলাম কিভাবে সিরাজগঞ্জের সব খবরাখবর সবার মাঝে সিরাজগঞ্জ বাসী/নাগরিক যারা সিরাজগঞ্জ তথা জেলার বাইরে বা দেশ বা প্রবাস জীবন-যাপন করেন বা বাংলা ভাষাভাষি মানুষ যারা পৃথিথবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে বসবাস বা কর্মে তাগিদে সংসার ছেড়ে অবস্থান করছেন কিন্তু প্রবল ইচ্ছে আগ্রহ থাকা সত্বেও সিরাজগঞ্জের সব খবরাখবর জানা সম্ভব হয় না। এতগুলো টিভি চ্যানেল তারপরও সব খবর সব চ্যানেলে উঠে আসে না। চ্যানেলের মাধ্যমে নিজ জেলার সব খবর জানা সম্ভব হয় না। সময় বের করে সব চ্যানেল দেখাও একজন মানুষের জন্য অসম্ভবপর ব্যাপার। নিজ জেলার খবররাখবর জানার যে, শুন্যতা সেই শুন্যতা পূরণের জন্যই এই আইডিয়াটা। লাভ বলতে যেটা আমি বুঝি সেটা হল অনেক মানুষের পরিশ্রমের ফলাফল পত্রিকা গুলো প্রকাশ হয় কিন্তু সব পাঠকের হাতে বিভিন্ন কারণে তা পৌছে না। পত্রিকাগুলো যারা প্রকাশ করেন তাদের পক্ষেও সবার কাছে পৌছানো সম্ভবপর হয়না। ফেসবুকের কল্যাণে সব পত্রিকার খবর একসাথে সবার সামনে তুলে ধরার এই সুযোগ কাজে লাগাতেই এই সাধনা,পরিশ্রম,মেধা ও অর্থ ব্যয় করা। কারণ হালাল পথে অন্য উপায়ে ত রোজগার করছিই। সেই অর্থে র কিছু এই কাজে ব্যয় করে নিজেকে ধন্য ও সার্থক মনে করছি।








