বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান হাতের কাছে গ্রামীণ জনপদে প্রতিষ্ঠিত কমিউনিটি ক্লিনিক।স্বাস্থ্য সেবার প্রথম স্টেপ এই কমিউনিটি ক্লিনিক। গ্রামের দূর-দূরান্তের অসুস্থ অসহায় মানুষের ভরসার জায়গা এই সেবা প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান ওয়ান স্টপ সার্ভিস হিসেবে গ্রামের মানুষকে নানা ধরনের সাধারণ রোগের চিকিৎসা, পরামর্শ ও রেফারেল বিষয়ে কাজ করছে।সেবা প্রদান কর্মী হিসেবে রয়েছে একজন মাত্র স্বাস্থ্য কর্মী যার পদবী কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার(সিএইচসিপি) জ্বর সর্দি-কাশি সহ টিকাদান কর্মসূচি ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করা হলো এই সেবা প্রতিষ্ঠানের প্রধানতম কাজ।এই প্রতিষ্ঠান থেকে রোগীদের প্রদান করা হয় ২৭ আইটেমের বিনামূল্যে ঔষধ।কিন্তু অতি সম্প্রতি চীনে প্রকাশ পাওয়া করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি বাংলাদেশেও প্রকাশ পেয়েছে। এতে চরম ঝুঁকিতে পড়েছে দেশের অন্যান্য জেলার মতো সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলার ইউনিয়নে (কমিউনিটি ক্লিনিকে) কর্মরত ৩৭০ জন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার নামধারী স্বাস্থ্যকর্মী।কারণ প্রতিদিন ৩০/৪০ জন রোগীর সমাগম ঘটে কমিউনিটি ক্লিনিকে।যার অধিকাংশই সাধারণত জ্বর-সর্দি-কাশি’র রোগী।যারা প্রথম আসে কমিউনিটি ক্লিনিকে তাদের অসুস্থতা নিয়ে। এজন্যই সবচেয়ে ঝুঁকিতে সিএইচসিপি। সিএইচসিপিদের নিরাপত্তার জন্য অাধুনিক থার্মোমিটার, গ্ল্যাভাস,মাস্ক, হেক্সিসল ইত্যাদি সরবরাহ প্রয়োজন ছিলো বলে জানান ক্লিনিকে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মী।করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকি নিয়ে শংকিত স্বাস্থ্য কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পর্যাপ্ত লজিস্টিক সাপোর্ট বিষয়ে কোন উদ্যোগ নেয়নি এখনও স্বাস্থ্য বিভাগ।
স্বাস্থ্য কর্মীদের ঝুঁকিতে রেখে করোনা ঠেকানো কতটা যুক্তিযুক্ত? আমরাও তো এদেশের জনগণ- এমন অভিমত স্বাস্থ্য কর্মীদের।









