সিরাজগঞ্জ জেলা যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আব্দুল বারীক জেলা ছাত্রদল সভাপতি জুনায়েদ হোসেন সবুজের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
বৃহস্পতিবার রাত ৮ টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ অভিযোগ তোলেন।
আব্দুল বারীক বলেন, দীর্ঘদিন আমি বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে আন্দোলন করতে গিয়ে রাজপথে গুলিবিদ্ধ হয়েছি, বহুবার কারাবরণ করেছি। এমনকি আমার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে আমার ভাই পৌরসভা থেকে চাকরি হারিয়েছি এবং পুলিশি আতঙ্কে আমার বাবা স্ট্রোকে মারা যান। তবুও আমি রাজনীতি ছাড়িনি।
তিনি অভিযোগ করেন, গত ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র্যালিতে অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে জেলা ছাত্রদল সভাপতি জুনায়েদ হোসেন সবুজ ক্ষিপ্ত হয়ে যুবদল কর্মী হৃদয়কে মারধর করে গুরুতর আহত করেন। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে নিজে ও তার সহযোগীরাও হামলার শিকার হন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, সবুজ, তার ছোট ভাই শাওন, সোহান, রাজু, শিবলুসহ শতাধিক সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে মিলন মোড়ে আমাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে নাহিদ, জলিল ও রাজিব আহত হন।
অভিযোগ করে তিনি আরও বলেন, সবুজ মিলন মোড়ে ব্যবসার নামে স্থানীয় মানুষকে জিম্মি করে মালামাল নিতে বাধ্য করছে। প্রতিবাদ করায় যুবদলের কয়েকজন নেতার সঙ্গে সবুজের সম্পর্ক খারাপ হয়।
বারীক আরও অভিযোগ করেন, ছাত্রদল সভাপতি সবুজ আওয়ামী লীগের সঙ্গে গোপন যোগাযোগ রাখছে। তিনি বলেন, সবুজের সংবাদ সম্মেলনে যাকে সাক্ষী হিসেবে আনা হয়েছে সেই জিন্নাহ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। অবৈধ এমপি হেনরী ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লাভলুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবেও তার পরিচিতি রয়েছে।
তিনি জেলা বিএনপির কাছে ঘটনার বিচার দাবি করেন এবং বলেন, একজন দায়িত্বশীল পদে থেকে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন সবুজ। তার অপকর্মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের দলের সিনিয়র যুগ্নু আহ্বায়ক, আহসান হাবিব উজ্জ্বল,
জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব, ৫ নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আরিফ, প্রমুখ।









