এলাকাবাসী জানান ডাঁসা গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা দুলাল শেখের ছেলে মামুন শেখের সাথে পান্টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সামিউর রহমান সুমনের দীর্ঘদিন যাবত কলহ চলে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ সোমবার ১১ টার দিকে দুগ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় কুমারখালী থানা ও স্থানীয় ক্যাম্পের পুলিশ তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করতে রাবার বুলেট ব্যবহার করে। এসময় সান্দিয়ারা গ্রামের মৃত মোফাজ্জেলের ছেলে বিল্লাল হোসেন (৪৮) ঘটনাস্থলে নিহত ও ৬ জন পুলিশ সহ প্রায় ৪০ জন আহত হয়।
এবিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন একজন নিহত হয়েছে শুনেছি। ইতিমধ্যে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আপাততঃ এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।
কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ মহাশিউল আরেফিন রনি জানান নিহত ব্যক্তির দেহে রাবার বুলেটের চিন্হ আছে। এবং এ পর্যন্ত ৩০ জন আহত ব্যক্তির চিকিৎসা দেয়া হয়েছে ।









