ছাগলনাইয়া পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ যশপুর এলাকার কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম স্বপন ওএমএস’র ১০ টাকা দামের চাল বিতরণে তালিকা ভূক্ত ব্যক্তি মায়া বেগম, নুর আহাম্মদ চৌধুরী, বিবি খোদেজা ও রহিমা খাতুনের নামে কার্ড করেও তাদেরকে চাল না দেয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেন উক্ত চার ব্যক্তি।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে দক্ষিণ যশপুর তালেব আলী ফরায়েজী বাড়ীতে মায়া বেগম, নুর আহাম্মদ চৌধুরী, বিবি খোদেজা ও রহিমা খাতুন সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, আমাদের নাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা মূল্যের চাল বিতরণের জন্য তালিকাভূক্ত হয় এবং চূড়ান্ত তালিকাও আমাদের নাম থাকলেও আমরা চাল পাইনি। আমাদের নামীয় কার্ডের চাল আত্মসাৎ করেছে স্থানীয় কাউন্সিলর।
তবে এ অভিযোগটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবী করে একই দিন বিকেলে ছাগলনাইয়া পৌরসভা মিলনায়তনে পাল্টা সংবাদিক সম্মেলন করেন কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম স্বপন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ১৪ জুলাই দৈনিক ফেনীর সময় পত্রিকায় ওএমএস’র ১০ টাকা দামের চাল কাউন্সিলরের পেটে শিরোনামে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয় যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক। তিনি বলেন, প্রকৃত বিষয় হচ্ছে- আমার ওয়ার্ড এর জন্য ১৫০ টি কার্ড বরাদ্দ হয় তন্মধ্যে ১৪৬ টি কার্ড বিতরণ করেছি। অবশিষ্ট চারটি কার্ডের তালিকাভুক্ত খোদেজা বেগম, নুর আহমদ চৌধুরী, মায়া বেগম ও রহিমা খাতুন এ চার ব্যক্তিকে তাদের দেয়া মুঠোফোনে এক সপ্তাহ পর্যন্ত যোগাযোগ করলেও ফোন রিসিভ করে নাই । যেহেতু চাহিদার তুলনায় কার্ড পাওয়ার উপযোগী লোকের সংখ্যা বেশি তখন অন্য অসহায় হতদরিদ্র চারজনের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করি। এদের মধ্যে তিনজন চাউল উত্তোলন করেছে একজন এখনো চাউল উত্তোলন করেনি। তিনি আরো জানান, উপরোক্ত ৪ জন ব্যক্তি এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহি অফিসার মহোদয়’র নিকট অভিযোগ করলে নিবার্হী অফিসার মহোদয় আমাকে ডেকে সব বিষয়ে আমার বক্তব্য শোনার পর কার্ড গুলো খুজে বের করার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে আমার ওয়ার্ড’র হাইব্রিড আওয়ামী লীগ নেতারা আমাকে কোন ভাবে পরাস্ত করতে না পেরে ষড়যন্ত্রকারী ও চক্রান্তকারীরা আমার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তবে কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম স্বপন স্বীকার করেছেন ও এম এস’র ১০ টাকা দামের চাউল বন্টনে আমার নীতিগত ভুল ছিলনা হয়তো পদ্ধতিগত ভুল থাকতে পারে।









