ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ঃহিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূগাপূজা উপলক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ে ৪৬১টি পূজামন্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে। এখানকার প্রতিমা শিল্পীদের ব্যস্ততা দেখে বোঝা যায় হাতে আর বেশী সময় নাই শারদীয় দুর্গাপূজার। আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দন করে ফুটিয়ে তুলতে প্রতিমা শিল্পীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে গড়ে তুলছেন দেবী দুর্গার এক একটি রূপ। মৃৎ শিল্পীর হাতের ছোয়ায় একটু একটু করে যেন জীবন্ত হয়ে উঠছেন দেবী দূর্গার রুপ । মন্দির ও মন্ডপগুলোতে চলছে বাহারী সাজের আয়োজন।দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে প্রতিমা তৈরির কাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে । এরই মধ্যে দুএক জায় গায় শুরু হয়েছে প্রতিমায় রং এর প্রলেপ ও অঙ্গ সজ্বার কাজ। মনের মাধুরি মিশিয়ে রং তুলির আচরে মা দূর্গাকে সাজাবে প্রতিমা শিল্পীরা। এবার ঠাকুরগাঁও জেলায় গত বছরের চেয়ে ৫ টি বেশী মন্ডেবে পূজা উদযাপন হবে।আগামী ৪ অক্টোবর থেকে ঠাকুরগাঁওয়ে ৬ষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শারদীয় দূর্গোৎসবের শুরু এবং ৮ অক্টোবর দেবী বির্সজ নের মধ্য দিয়ে পূজার সমাপ্তি হবে বলে জানা যায়।এবার প্রতিমা তৈরি বিভিন্ন উপকরণের মূল্য বৃদ্ধি পেলেও কাঙ্খিত পারিশ্রমিক বা প্রতিমার মূল্য পাচ্ছেনা বলে অভিযোগ কারিগর ও মৃৎ শিল্পীদের। কারিগর ধণেশ চক্রবর্তী ও গিরিশ চন্দ্র নামের মৃৎ শিল্পী জানান, বাঁশ, খড়, প্রতিমা তৈরীর বিশেষ মাটিসহ সব উপকরণের মূল্য অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে । গতবার এমনটা ছিলোনা। বাপ দাদার ঐতিহ্য ধরে রাখতেই আমরা এই পেশায় এখনো নিয়ো জিত রয়েছি। তবে নায্য পারিশ্রমিক না পেয়ে এবং অন্য পেশার প্রতি ঝুকে পরায় আনেকেই এ পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন। পূজা উপলক্ষে জেলা জুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অরুনাংশু দত্ত টিটো। তিনি জানান, ঠাকুরগাঁও জেলা শান্তি ও সম্প্রীতির জেলা। এখানে সকলের সহযোগিতায় প্রতিবছরই বেশ ধুমধামের সাথে দূর্গোৎসব পালিত হয়ে থাকে। উৎসব মূখর পরিবেশে দূর্গা পূজা পালনের লক্ষ্যে এরই মধ্যে স্থানীয় প্রশাসন,জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় সভা করা হয়েছে।ঠাকুরগাঁও অতি রিক্ত পুলিশ সুপার আল আসাদ মো: মাহফুজুল ইসলাম বলেন নির্বিঘ্নে পূজা সম্পন্ন করতে প্রতিটি মন্ডপে নিরবিচ্ছিন্ন নিরাপত্তা দিতে সিসি ক্যামেরার পাশাপাশি পুলিশ, আনসার ও সাদা পোষাকধারী পুলিশও মোতায়েন করা হবে।









