২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৭ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • সকল সংবাদ
  • নড়াইলে অস্ত্র নির্মাণের দেবতা বিশ্বকর্মা পূজার মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে ভাদ্র




নড়াইলে অস্ত্র নির্মাণের দেবতা বিশ্বকর্মা পূজার মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে ভাদ্র

মোহাম্মদ ইমন মিয়া, বাঙ্গরা,কুমিল্লা করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : সেপ্টেম্বর ১৭ ২০১৮, ১৬:০৮ | 785 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি■:

নড়াইলে বিশ্বকর্মা পূজার মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে ভাদ্র। নড়াইল জেলাসহ সারা দেশে সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা সোমবার-১৪২৫ বঙ্গাব্দ বিশ্বকর্মা পূজা পালন করছে। আমাদের নড়াইল প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায় জানান, বিশ্বকর্মা পূজো এলেই বাঙ্গালির মনে হয় দরজায় কড়া নাড়ছে দুর্গাপূজোৎসব। শুরু হয়েছে দুর্গা পূজার কাউন্টডাউন। পঞ্জিকা মতে বাংলা ভাদ্র মাসের শেষ দিন এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। ভোর থেকেই শুরু দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার আরাধনা। এক দিনের এই পুজাকে ঘিরে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের ঘরে ঘরে আনন্দ। অস্ত্র ও নির্মাণের দেবতা বিশ্বকর্মা। কলকারখানা থেকে কারিগরি প্রতিষ্ঠানে আজ বিশ্বকর্মা পূজোর আনন্দ সর্বত্রই। একই সঙ্গে পাড়াা-মহল্লার মোড়েও এখন বিশ্বকর্মার আরাধনা। খাওয়া-দাওয়া, গান বাজনা তো আছেই। সবমিলিয়ে নিখাদ অবসর যাপন। যদিও বাজার খুব একটি স্বস্তি দিচ্ছে না, সাধারণ মানুষকে। তবুও বিশ্বকর্মা পুজোর আনন্দে শামিল বাঙালি। হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী মতে-বিশ্বকর্মা ছিলেন দেবশিল্পী। বিষ্ণু পুরাণের মতে প্রভাসের ঔরসে বৃহস্পতির ভগিনীর গর্ভে বিশ্বকর্মার জন্ম হয়। বেদে পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বকর্মা বলা হয়েছে। বিশ্বকর্মা মূলত সৃষ্টিশক্তির রূপক নাম। সেই অর্থে পিতা এবং সর্বজ্ঞ দেবতাদের নামদাতা। বিশ্বকর্মা সর্বমেধ-যজ্ঞে নিজেকে নিজের কাছে বলি দেন। বাচস্পতি, মনোজব, বদান্য, কল্যাণকর্মা, বিধাতা। ঋগবেদের মতে বিশ্বকর্মা সর্বদর্শী ভগবান। এঁর চক্ষু, মুখমন্ডল, বাহু ও পা সর্বদিক বিদ্যমান। বাহু ও পায়ের সাহায্যে ইনি স্বর্গ ও মর্ত্য নির্মাণ করেন। বিশ্বকর্মা শিল্পসমূহের প্রকাশক ও অলঙ্কারের চেষ্টা, দেবতাদের বিমান-নির্মাতা। এঁর কৃপায় মানুষ শিল্পকলায় পারদর্শিতা লাভ করে। উপবেদ, স্থাপত্য-বেদেও তিনি প্রাসাদ, ভবন ইত্যাদির শিল্পী ও দেবতাদের জন্য অস্ত্র তৈরি করার কারিগর। মহাভারতের মতে বিশ্বকর্মা শিল্পের শ্রেষ্ঠ কর্তা, সহস্র শিল্পের আবিস্কারক, সর্বপ্রকার কারুকার্য-নির্মাতা। স্বর্গ ও লঙ্কাপুরী ইনিই নির্মাণ করেছিলেন বিশ্বকর্মা। বিশ্বকর্মার কন্যার নাম ছিল সংজ্ঞা। তিনি সংজ্ঞাকে বিবাহ দেন সুর্যের সাথে। সংজ্ঞা সুর্যের প্রখর তাপ সহ্য করতে না পারায়, সংজ্ঞা সুর্যকে শানচক্রে স্থাপন করে তাঁর উজ্জলতার অষ্টমাংশ কেটে ফেলেন। এই কর্তিত অংশ পৃথিবীর উপর পতিত হলে, উক্ত অংশের দ্বারা বিশ্বকর্মা বিষ্ণুর সুদর্শনচক্র, শিবের ত্রিশূল, কুবেরের অস্ত্র, কার্তিকেয়ের শক্তি ও অন্যান্য দেবতাদের অস্ত্রশস্ত্রাদি নির্মাণ করেন। বলা হয়ে থাকে

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET