দুগ্ধ বৃদ্ধি, প্রাণিরোগ প্রতিরোধ ও প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে বেশি সহায়ক নেপিয়ার ঘাস। আর উন্নত জাতের গরু পালনে এ ঘাষের চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন ঘাস চাষি মোঃ আমিনুল ইসলাম ও আয়নাল হক। ঘাস চাষিরা হলেন বগুড়া ধুনট উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের কান্দুনিয়া গ্রামের মোঃ ইসমত আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম ও আনোয়ার হোসেন ছেলে আয়নাল হক ২ ব্যক্তি নেপিয়ার ঘাস চাষ করে ২টির পরিবার এখন অনেক সুখে শান্তিতে দিন যাপন করছেন। তারা ২ ব্যক্তি কর্মের তাগিদে দেশের বাইরে ছিলেন গত ৩বছর আগে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। এসে ২ ব্যক্তি বর্গা জমিতে ঘাস চাষ শুরু করেন। ঘাসের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ও লাভ বেশি হওয়ায় তিনি ঝুঁকে পড়েন এ ঘাস চাষে। কয়েক বছরেই ফিরে আসে পরিবারে সচ্ছলতা। পরে দুই ব্যক্তি অন্যের কাছ থেকে বন্ধকী প্রায় সাড়ে ১২ বিঘা জমি নিয়ে শুরু করেন এ ঘাস চাষ। অল্প দিনের মধ্যে অভাব-কষ্টের দিন শেষ হয় তাদের । আর পেছনে তাকাতে হয়নি তাদের । এখন তারাদের বাড়িতে ফ্রিজ, টিভিসহ সব সৌখিন জিনিস রয়েছে। উন্নত জাতের নেপিয়ার ঘাসের চাহিদা রয়েছে এই এলাকায়। গরুর খামারিদের কাছেও গো-খাদ্যের জন্য নেপিয়ার ঘাসের চাহিদা বাড়ছে। কৃষক আমিনুল ইসলাম ও আয়নাল হক জানান, অন্য ফসলের তুলনায় এ ঘাস চাষে লাভ বেশি। সার, মজুরি, কীটনাশক খরচ কম কিন্তু উৎপাদন ও লাভ বেশি। নেপিয়ার ঘাস থেকে বছরে ৭-৮ বার ঘাস কাটা যায়। ১ একর জমিতে খরচ হয় মাত্র ৮-৯হাজার টাকা। লাভ হয় প্রায় লক্ষাধিক টাকা। নিজের জমি সামান্য। অন্যের জমি নিয়ে চাষ করি এ ঘাস চাষ । উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, অন্যান্য ফসলের তুলনায় এই ঘাস চাষে সার, মজুরি, কীটনাশক খরচ কম কিন্তু উৎপাদন ও লাভ বেশি। উন্নত জাতের গরু পালনে এ ঘাষের বিকল্প নেই। বর্তমানে আনুমানিক ১০০ একর জমিতে নেপিয়ার ঘাস চাষ হচ্ছে। ধুনট উপজেলার প্রায় ২ শতাধিক কৃষক এ চাষ ঘাস করছেন।








