নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল ব্যবহারে ব্যাপক ভাবে হুমকির মুখে পরেছে দেশীয় মাছসহ জলজ জীব-বৈচিত্র। বিলাঞ্চলে কারেন্ট জালের চেয়ে ভয়াবহ আকারে বৃদ্ধি পেয়েছে এ নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জালের ব্যবহার।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একশ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ীরা বরিশালের গৌরনদী, আগৈলঝাড়া ও উজিরপুর উপজেলার গ্রামীন হাট-বাজারগুলোতে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবাধে বিক্রি করে যাচ্ছেন এসব চায়না দুয়ারী জাল। ছোট থেকে বড় সব ধরনের মাছ এ জালে আটকা পরায় মৎস্যজীবিদের কাছে চায়না দুয়ারী জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
গৌরনদী উপজেলার একাধীক মৎস্যজীবি জানান, দীর্ঘবছর যাবত খাল-বিল থেকে মৎস্য আহরন করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন তারা। কিন্তু বর্তমানে চায়না জাল প্রকৃত মৎস্যজীবিদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ জালের বিস্তার রোধ করতে না পারলে ভবিষ্যতে খাল-বিলে কোন মাছ খুজে পাওয়া যাবেনা।
এ বিষয়ে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস জানান, নিষিদ্ধ চায়না জাল বিক্রি বন্ধে হাট-বাজারগুলোতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও যাতে কোন ব্যবসায়ী এ জাল বিক্রি করতে না পারে সেজন্য মৎস্য কর্মকর্তাদের নজরদারি বৃদ্ধির জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল হাসেম জানান, ইতিমধ্যে উপজেলার একাধিক বিলে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু চায়না জাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি মৎজীবিদের সচেতন করে তোলা হচ্ছে।









