অপরদিকে, আজ ১১ আগস্ট একটি জাতীয় দৈনিকের এক সাংবাদিকের কাছে ‘বিকাশ হেল্প লাইনের’ নামে একই নম্বর থেকে ফোন করা হয়। একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। প্রতারকের ফোন কল বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এরপর থেকে ওই নম্বরটি আর খোলা পাওয়া যায়নি।
দু’জনেরই প্রশ্ন, বাধ্যতামূলকভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে সবার সিম নিবন্ধন করা হয়েছে। আর নিবন্ধিত সিম ছাড়া মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ নেই। তাহলে যেসব সিম ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে, তাদের সিম নিবন্ধনের তথ্য কোথায়? অবিলম্বে এই প্রতারণা বন্ধ চান তারা। আবার আর্থিক লেনদেনের তথ্য হুবহু প্রতারক চক্র কীভাবে জানতে পারছে তা নিয়েও প্রশ্ন তাদের।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিদিনই মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহারকারী অনেকেই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। প্রতারকরা এমনভাবে ফাঁদ পাতে যে, গ্রাহক কিছু বুঝে ওঠার আগেই অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়। প্রতারকচক্রের বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ওঠে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ও মোবাইল অপারেটরদের চাকরিচ্যুত কর্মীদের কেউ কেউ এই প্রতারণার সঙ্গে জড়িত।








