যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরের চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশির কাজে ব্যবহৃত স্ক্যানিং মেশিনটি ৮ দিন ধরে অচল হয়ে পড়ে রয়েছে। যার ফলে যাত্রীরা যেমন ভোগান্তিতে পড়ছেন তেমনি তল্লাশি কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় চোরাচালানের আশঙ্কা বাড়ছে। তবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বলছেন স্ক্যানিং মেশিনটি সচলের সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস ভবনে ব্যাগেজ তল্লাশির কাজে ব্যবহৃত স্কানিং মেশিনটি অচল হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ৪ ফেব্রুয়ারি সকালে হঠাৎ করে স্ক্যানিং মেশিনটি বন্ধ হয়ে যায়।
জানা যায়, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়াতে ভ্রমণ, চিকিৎসা ও ব্যবসায়ীক কাজে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এ পথে যাতায়াত করে থাকে। তবে যাত্রীর ছদ্মবেশে আবার অনেকে করে স্বর্ণ, মুদ্রা, আমদানি নিষিদ্ধ মেডিসিনসহ বিভিন্ন প্রকারের চোরাচালান কার্যক্রম। চেকপোস্ট কাস্টমস ভবনে চোরাচালান প্রতিরোধে রয়েছে দুটি স্ক্যানিং মেশিন। এর একটি বন্দরের প্যাসেঞ্জার টার্মিনালে ভারত যাওয়ার পথে যাত্রীদের ব্যাগেজ স্কানিং করা হয়ে থাকে। অন্য আর একটি রয়েছে চেকপোস্ট কাস্টমসে যেটি ব্যবহৃত হয় ভারত থেকে আসা যাত্রীদের ব্যাগেজ তল্লাশির কাজে। বিভিন্ন সময় চোরাচালানের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা অবৈধ্য পণ্যদ্রব্য তল্লাশি কেন্দ্রে ধরা পড়ে। তবে গত ৮ দিন ধরে ভারত ফেরত যাত্রীদের ব্যাগেজ তল্লাশি কাজে ব্যবহৃত কাস্টমসের স্কানিং মেশিনটি নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। এতে তল্লাশি কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ঝুঁকি রয়েছে চোরাচালান কার্যক্রমের।
বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা সারমিন আক্তার জানান, অচল হয়ে পড়ে থাকা স্ক্যানিং মেশিনটি সচলের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। চায়না থেকে যন্ত্রপাতি আসছে। খুব দ্রুত সচল হবে। আপাতত সচল থাকা ভারত যাওয়া যাত্রীদের ব্যাগেজ তল্লাশির কাজে ব্যবহৃত স্ক্যানিং মেশিনটি দিয়ে ভারত থেকে আসা যাত্রীদের ব্যাগ পরীক্ষা-নিরিক্ষা করা হচ্ছে।
এদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, মাঝে মধ্যে শোনা যায় বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসের স্ক্যানিং মেশিন নষ্ট। যখন নষ্ট হয় সচল হতে কমপক্ষে সপ্তাহর বেশী সময় লেগে যায়। এতে চোরাচালানের ঝুঁকিসহ নানা সমস্যা দেখা যায়।
Please follow and like us:









