চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:- চৌদ্দগ্রামে চলমান বোরো মৌসুমে জমি সেচ দিতে নির্ধারিত অর্থের বেশি আদায় করেছে বেসরকারিভাবে পরিচালিত সেচ পাম্পের মালিকরা। উপজেলা সেচ কমিটি কানি প্রতি সেচ চার্জ নির্ধারন করলেও অনেকে এর তোয়াক্কা করছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, প্রতি বছর বোরো মৌসুমে জমিগুলো শুকিয়ে থাকায় ডিজেল বা বিদ্যুৎ চালিত সেচ পাম্প দিয়ে জমি সেচ দিতে হয়। এ সুযোগে সেচ পাম্প মালিকরা প্রতি কানি প্রতি তাদের ইচ্ছে মতো চার্জ আদায় করে থাকে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সম্প্রতি ২০১৭-১৮ মৌসুমের জন্য সরকারি বা বেসরকারি ব্যক্তি মালিকানাধীন পরিচালিত সেচ যন্ত্রের দ্বারা সেচ চার্জ আদায়ের হার নির্ধারন করে দেয় উপজেলা সেচ কমিটি। কিন্তু এই নীতির তোয়াক্কা করছে অনেকে। উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাঈন উদ্দিন এবং সদস্য সচিব বিএডিসি কুমিল্লা জোনের সহকারী প্রকৌশলী গিয়াস উদ্দিন লস্কর স্বাক্ষরিত নির্ধারিত হার হলো; ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পূর্ব পাশে প্রতি কানি জমিতে সেচ দিতে ডিজেল চালিত গভীর নলকুপের চার্জ দুই হাজার টাকা, অগভীর নলকুপের চার্জ দুই হাজার চল্লিশ টাকা এবং এলএলপির চার্জ এক হাজার সাতশত বিশ টাকা। একই পাশে প্রতি কানিতে সেচ দিতে বিদ্যুৎ চালিত গভীর নলকুপের চার্জ এক হাজার আটশত আশি টাকা, অগভীর নলকুপের চার্জ এক হাজার নয়শত বিশ টাকা ও এলএলপির চার্জ এক হাজার ছয়শত চল্লিশ টাকা।
আবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পশ্চিম পাশে প্রতি কানি জমিতে সেচ দিতে ডিজেল চালিত গভীর নলকুপের চার্জ এক হাজার নয়শত বিশ টাকা, অগভীর নলকুপের চার্জ দুই হাজার টাকা ও এলএলপির চার্জ এক হাজার ছয়শত চল্লিশ টাকা। ওই পাশে বিদ্যুৎ চালিত গভীর নলকুপের এক হাজার আটশত চল্লিশ টাকা, অগভীর নলকুপের এক হাজার নয়শত বিশ টাকা ও এলএলপি এক হাজার পাঁচশত ষাট টাকা।
গতকাল রোববার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যুৎ চালিত এক সেচ পাম্প মালিক জানান, জমির কানি প্রতি নির্ধারিত হারে টাকা আদায় করলে বিদ্যুৎ বিল, বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজনকে উৎকোচ ও শ্রমিকের টাকা দিয়ে আর মালিকদের লাভ থাকে না বললেই চলে। তাছাড়া সেচ তো এক মৌসুমেই দেয়া হয়।









