মণিরামপুর(যশোর) প্রতিনিধিঃ- যশোর মণিরামপুর উপজেলায় বর্তমানে সুদখোরদের খুব উপদ্রব বেড়েছে।তাদের কারণে একাধিক পরিবার ঘর ছাড়া হচ্ছে এবং সুদের টাকা দিতে না পেরে সুদখোরদের অত্যাচারে আত্মহত্যার পথও বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছে কিছু সম্মানীয় অভাবী মানুষ।বিগত কিছুদিন আগে দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়নের বিপ্রকোনা গ্রামের মৃত তাইজুল সরদারের ছেলে মুক্তার সরদার খোকন(৩৬) সুদখোরদের অত্যাচারে স্ত্রীসহ ঘর ছেড়েছেন।এব্যাপারে জানতে গেলে তার বড় ছেলে সবুজ(২৫) বলেন, আমার বাবা একজন দরিদ্র কাঠমিস্ত্রী।পারিবারিক সমস্যার কারণে এলাকার কিছু সুদখোরদের কাছ থেকে টাকা নেয়।আর এই টাকার সুদের এত বেশী যা তার আয় ছাড়া অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং সুদখোরদের লাভের টাকা দিতে ব্যর্থ হলে তারা বিভিন্নভাবে তাকে হুমকি দেয় ও এলাকায় সম্মানহানি ঘটায়।যার জন্য মুক্তার সরদার স্ত্রীসহ ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।সুদে টাকার লাভের হার সম্পর্কে জানতে চাইলে সবুজ বলেন, এক হাজার টাকায় এক সপ্তাহে লাভ দিতে হয় একশ টাকা।
তার মানে দশ হাজার টাকার এক সপ্তাহের লাভ এক হাজার টাকা।যা গরীবের রক্তচুষে খাওয়া ছাড়া আর কি হতে পারে?
মুক্তার সরদারের দুই ছেলে সবুজ ও মাসুদ আলাদাভাবে সংসার চালায়।কিন্তু সুদখোরদের কারণে তারাও এখন স্ত্রী সন্তান নিয়ে অসহায় জীবনযাপন করছে।তাদের কাছে সুদখোরদের নাম জানতে চাইলে তারা বলে নাম বলে কি হবে?
আমাদের বাবা মত এলাকা ছাড়তে হবে।স্থানীয় নেতারা সুদখোরদের পক্ষে তাই তারা ভয়ে মুখ খুলতে চাই না।









