যশোর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন শেষ হয়েছে। এ সম্মেলনকে ঘিরে জেলার নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করেছে। শহরের মোড়ে মোড়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা, শেখ আবু নাসের, জাতীয় চার নেতা, শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেলসহ যশোরের প্রয়াত নেতাদের নামে বানানো হয়েছে তোরণ।
সম্মেলনে সভাপতি পদে শহিদুল ইসলাম মিলন ও সাধারণ সম্পাদক পদে শাহীন চাকলাদার পুণরায় মনোনীত হয়েছেন।
বুধবার বিকালে সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে আংশিক কমিটির ঘোষণা দেন প্রধান অতিথি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি।
কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন- সহ সভাপতি আবদুল মজিদ, হায়দার গণি খান পলাশ, খয়রত হোসেন, আবদুল খালেক, মোহাম্মদ আলী রায়হান, গোলাম মোস্তফা। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম, আশরাফুল আলম লিটন, মীর জহুরুল হক। সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন আফজাল হোসেন, মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী, জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু ও মহিউদ্দিন। সদস্য করা হয়েছে- ইসমাত আরা সাদেক, স্বপন ভট্টাচার্য্য, কাজী নাবিল আহমেদ, সাইফুজ্জামান পিকুল, শেখ আফিল উদ্দিন, রণজিত কুমার রায়কে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, জেলা যুবলীগের সভাপতি মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টুকে পদত্যাগ করার শর্তে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক করা হল। তাদের স্থলে যুবলীগের প্রথম সহ-সভাপতি ও প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করবেন।
এর আগে সম্মেলনের প্রথম অধিবেষনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাংলায় কোন অপরাধীর স্থান নেই। আজ সাত জঙ্গির ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়েছে। দ্রুততার সাথে ফেনীর নুসরাত হত্যাকারীদের ফাঁসির রায় হয়েছে। বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার হত্যাকারী ছাত্রলীগ কর্মীদের আটক করা হয়েছে। তাদেরও বিচার হবে।
যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য মাহবুব উল আলম হানিফ ও আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
এই সম্মেলনের মধ্যদিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম দ্বিতীয়বার ও শাহীন চাকলাদার তৃতীয়বার সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হলেন।









