চলতি মৌসুমে লবণ উৎপাদনে মাঠে নামলেও ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না কক্সবাজারের চাষিরা। তাই মাঠ পর্যায়ে লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের জন্য আন্দোলন শুরু করেছেন তারা। তাদের দাবি, লবণ আমদানি সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করে জরুরি ভিত্তিতে মাঠ পর্যায়ে লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হোক।
কক্সবাজারের উপকূলবর্তী লবণ মাঠ। কেউ লবণ উৎপাদনের জন্য মাঠ তৈরির কাজ করছেন, আবার কেউ কেউ জমিতে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি জমিয়ে তাতে সূর্যের তাপ দিচ্ছেন। আর ওই তাপে পানি শুকিয়ে তৈরি হচ্ছে লবণ।
মাঠে উৎপাদিত লবণ ভোক্তা পর্যন্ত যেতে বদল হয় কয়েক হাত। বেড়ে যায় লবণের দাম। কিন্তু লবণচাষিরা পাচ্ছেন না ন্যায্যমূল্য। ফলে চলতি মৌসুমে ন্যায্যমূল্য না পেয়ে চরম হতাশা বিরাজ করছে তাদের মাঝে।
লবণ চাষিরা বলছেন, আমরা শঙ্কা নিয়ে মাঠে নেমেছি। সবকিছুর দাম বেড়েছে কিন্তু লবণের দাম আমরা পাচ্ছি না।
এ অবস্থায় মাঠ পর্যায়ে লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করছেন কক্সবাজারের লবণচাষিরা। তাদের দাবি, সরকার লবণ আমদানি সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করে জরুরি ভিত্তিতে মাঠ পর্যায়ে লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করুক।
লবণচাষিরা বলছেন, অর্থনৈতিকভাবে আমরা মুক্তি চাই। লবণের ন্যায্যমূল্য চাই।
আর লবণ চাষি বাঁচাও পরিষদের নেতার দাবি, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে লবণ বোর্ড গঠনের।
বাংলাদেশ লবণ চাষি বাঁচাও পরিষদের আহ্বায়ক সাজেদুল করিম বলেন, বিসিককে নিয়ে ২ লাখ মেট্রিক টন লবণ মজুদ রাখা হোক। তাছাড়া লবণ বোর্ড গঠন করা হোক।
কক্সবাজারের ৭টি উপজেলায় ৫৫ হাজার একর জমিতে লবণ চাষ শুরু করেছেন ৩০ হাজার চাষি। চলতি মৌসুমে দেশে লবণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে সাড়ে ১৮ লাখ মেট্রিক টন।









