ডার্ড কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেড নামের কারখানার শ্রমিকেরা বকেয়া বেতন-ভাতার দাবিতে গত শনিবার সকাল থেকে আন্দোলন শুরু করেন। মালিকপক্ষের আশ্বাসে প্রথম দিন আন্দোলন স্থগিত করেন শ্রমিকেরা। পরদিন রোববার দুপুর ১২টায় মালিকপক্ষের সঙ্গে শ্রমিকদের বৈঠক হওয়ার কথা। যথাসময়ে বৈঠক না হওয়ায় আবার আন্দোলন শুরু করেন শ্রমিকেরা। বিকেলে বৈঠক হলেও কোনো সমাধানে না আসায় আবার ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শ্রমিকেরা। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান তাঁরা। এ সময় শিল্প পুলিশের একটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। কারখানার মালিকপক্ষের কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। বেশ কয়েকটি কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।
সোমবার সকাল ১০টায় কারখানার সামনে গিয়ে দেখা যায়, ফটকের আশপাশ ও ভেতরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য অবস্থান করছেন। ফটকের পাশে কারখানার নিরাপত্তারক্ষীদের কক্ষে বসে আছেন বেশ কয়েকজন নিরাপত্তাকর্মী।
কারখানার মূল ফটক, প্রবেশদ্বার ও আশপাশের দেয়ালের অন্তত সাতটি স্থানে কারখানা বন্ধের নোটিশ লাগানো হয়েছে। নোটিশে বলা হয়, অনিবার্য কারণবশত কারখানার সব কার্যক্রম বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ ধারা ১২(১) অনুযায়ী ১৫ মে থেকে ১৮ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। চিঠিতে স্বাক্ষর করেন কারখানার এইচ আর (এডমিন অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স) এর মহাব্যবস্থাপক শেখ আরিফ আহমেদ।
আটককৃতরা হলেন, মোহাম্মদ আলী ছেলে এরশাদ হোসেন (৩০), ইসমাইল সরদারের ছেলে সুমন সরদার (২৩), মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মতিউর রহমান (২৫), বারেক মিয়ার ছেলে রমজান আলী (২২), ওমর আলীর ছেলে নাইম (২০), আজহার আলীর ছেলে মেহেদী হাসান রাঙ্গা(২৪), খলিলুর রহমানের ছেলে সজিব মিয়া (২৫) ।
শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম বলেন, ডার্ড কম্পোজিটে এ পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগানোর দায়ে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় শিল্প পুলিশের পক্ষে অভিযোগের প্রেক্ষিত্রে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।









