৩১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার, ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

শিরোনামঃ-




শ্রীপুরে মাওনা চৌরাস্তায় জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ ১২ মাস

সাইফুল আলম সুমন, গাজীপুর করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : ফেব্রুয়ারি ০৯ ২০২০, ২২:৫০ | 988 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

মাওনা চৌরাস্তাকেই বলা হয় গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্র। কয়েকটি বড় বড় বিপনি-বিতান, প্রায় অর্ধশতাধিক হাসপাতাল ও বিদ্যালয়, ছোট বড় মিলিয়ে হাজার খানেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও প্রায় ৩০টির মতো ব্যাংক, কয়েকটি বীমা কোম্পানির অফিস ছাড়াও রাজধানী ঢাকা এবং বিভাগীয় শহর ময়মনসিংহ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে সহজতর যোগাযোগের জন্য ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ব্যবহারের জন্য প্রতিদিনই লক্ষাধিক লোকের পদ চারণায় মুখর থাকে মাওনা
চৌরাস্তা।

বিভিন্ন বাসা-বাড়ী, খাবার হোটেলসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন ব্যবহার্য পানি ও মানব বর্জ্য নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না থাকায় তা মহাসড়কের পাশে ড্রেনে নিষ্কাশন করায়, বছরজুড়েই জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে
স্থানীয়দের।

বছরের পর বছর দুর্ভোগে থাকলেও এ দুর্ভোগ লাঘবে নেয়া উদ্যোগ বিফলে গেছে। মাওনা চৌরাস্তার ব্যবসায়ী রুহুল আমিন জানান, মাওনা চৌরাস্তার আশপাশের বহুতল ভবন, খাবার হোটেলসহ ছোটবড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পানি নিষ্কাশনের একমাত্র
উপায় হলো মহাসড়কের পাশের ড্রেন।

 

আর এই ড্রেনের পানির নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না থাকায় বছর জুড়েই জলাবদ্ধতায় মগ্ন থাকে মাওনা চৌরাস্তা। এই
পানিতে দুগর্ন্ধে দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি ড্রেনটির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থার জন্য, পার্শ্ববর্তী কোন খালে সংযোগ করে দেয়া যায়, তাহলে এদুর্ভোগ কাটিয়ে উঠা সম্ভব।

মাওনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হক জানান, মাওনা-শ্রীপুর ও মাওনা-কালিয়াকৈর এদুটি আঞ্চলিক সড়ক মাওনা চৌরাস্তায় ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়কে এসে মিশেছে। এদুটি সংযোগস্থলে বছরজুড়ে জলাবদ্ধতা
থাকায় পুলিশের দায়িত্ব পালনে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।

এবিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবাসিক চিকিৎসক ফতেহ আকরাম জানান, যদি পানিতে মানব বর্জ্য ও পানি দূষিত হয়ে থাকে তাহলে এ পানি শরীরের কোথাও লাগলে চর্ম রোগসহ পানিবাহিত রোগ হতে পারে।

গাজীপুর সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফ উদ্দিন জানান, শুকনো মৌসুমে জলাবদ্ধতা হওয়ার কথা না, যেহেতু জলাবদ্ধতাটি বাসা-বাড়ি, বাজার, খাবার হোটেলের দৈন্দদিন ব্যবহার্য পানি দ্বারা সৃষ্টি হচ্ছে তাই সকলকে আগে

সচেতন হওয়ার পাশাপাশি ড্রেনে পানি ছাড়া বন্ধ করতে হবে। মাওনা চৌরাস্তা থেকে পানি সরিয়ে নিতে নতুন একটি ড্রেন নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আশা করছি নতুন ড্রেনটি নির্মাণ কাজ শেষ হলে এ দুর্ভোগ লাঘব করা
সম্ভব হবে।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET