কয়েক মাস ধরে ধুলাবালুর সঙ্গে যুদ্ধ করেই জীবনযাপন করছেন কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার মৌকারা গ্রামের মানুষ। মৌকারা আজিজ ইটভাটায় মাটি বহনকারী অবৈধ ট্রাক্টর বেপরোয়া গতিতে চলাচল করার কারণেই ধুলাবালুতে আচ্ছন্ন পুরো এলাকা। এতে ইটভাটা সংলগ্ন এলাকায় বসবাসরত মানুষ শ্বাসকষ্ট, যক্ষ্ণাসহ নানাহ জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন। চিকিৎসকদের মতে, শ্বাসনালি দিয়ে এসব ধুলাবালু প্রবেশের কারণে ফুসফুসে ক্যান্সারের মতো জটিল রোগও হতে পারে।
সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার মৌকারা গ্রামে আজিজ ইটভাটায় মাটি, ইট, কয়লাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম আনা-নেওয়ার কাজে ব্যবহার হয় ওই এলাকার চলাচলের একামাত্র পাকা সড়ক নাঙ্গলকোট-মৌকরা সড়কটি। এসব ট্রাক্টর প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলাচল করে। এতে সড়কে ধুলাবালুতে চলাচল একেবারেই দুরূহ হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি বসতবাড়ি, মাদ্রাসা-মসজিদ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, চায়ের দোকান, মুদি দোকানদাররা চরম বিপাকে রয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় প্রশাসন এসব দেখার পরও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
মৌকারা গ্রামের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা জানান, মাটি ও ইটের অবৈধ ট্রাক্ট্রর চলাচলের সময় পেছন দিক থেকে ধুলা এসে পুরো এলাকা আচ্ছন্ন করে ফেলে। মুহুর্তের মধ্যে বাড়ী ঘর ও দোকানপাট ধুলাবালুতে একাকার হয়ে যায়। ধুলাবালুর কারনে এলাকার অর্ধশতাধিক ব্যক্তি শ্বাসকষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এছাড়াও ইটভাটা সংলগ্ন এলাকার বসতবাড়ীর ফল গাছ, ধান ক্ষেত গুলো ফসল শূন্য দাঁড়িয়ে আছে।
অজিজ ইটভাটার স্বত্বাধিকারী মাস্টার কামাল হোসেন মুঠো ফোনে বলেন, আমার ইটভাটা এলাকায় কোন ধুলাবালি নেই।









