উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:- ক্ষতিগ্রস্থ ঔষধ দোকানী জাকির হোসেন ও নাজমা বেগম জানান, নিয়ম মেনে প্রায় ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে থানা সড়কের পাশে জেলা পরিষদের জায়গায় নিজেদের খরচে দোকানঘর তৈরি করে ব্যবসা করে আসছি। এখানে ৬’টি ঔষুধের দোকান, ইলেকট্রনিক্স দোকান, দন্ত চিকিৎসা কেন্দ্রসহ ১২টি দোকানঘর ছিল। কিন্তু বিনা নোটিশে অতর্কিত হামলা চালিয়ে শুক্রবার (২৩মার্চ) ভোরে দোকান গুলি ভেঙ্গে প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি করেছে। গোলাম মোরশেদ, মনিরুজ্জামান বাচ্চু, সালেক মুন্সী, আরিফ শেখসহ প্রায় ২০-২৫ জন হামলা করে তাদের দোকানঘর ভেঙ্গে দেয়। এ সময় দোকান থেকে মুল্যবান ঔষুধসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে গেছে বলে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন। নাজমা বেগম আরও অভিযোগ করে বলেন, এই সড়কের উভয় পাশে থানা সীমানা থেকে লক্ষীপাশা পোষ্ট অফিসের শেষ সীমানা পর্যন্ত জেলা পরিষদের জায়গা। সেখানে বহুতল ভবনসহ বেশ কয়েকটি অবৈধ স্থাপনা রয়েছে। ওই সব স্থাপনা অপসারনের দাবী জানান। নড়াইলের ১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভেঙ্গে দেয়ার অভিযোগে ও নড়াইল জেলা পরিষদ দোকানঘর ভাঙ্গার অভিযোগে শনিবার বিকালে লোহাগড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগ অস্বীকার করে লক্ষীপাশা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সভাপতি গোলাম মোরশেদসহ অন্যরা দাবি করে বলেন, ওই ব্যবসায়ীদের আমরা ছয় মাস আগে নোটিশ দিয়েছি। এই জায়গাটি কিছু অংশ মসজিদের এবং কিছু অংশ জেলা পরিষদের। মসজিদ মার্কেট নির্মাণের জন্য দোকানগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী (ভারপ্রাপ্ত) সিদ্দিকুর রহমান জানান, বেআইনি ভাবে দোকানঘরগুলো ভেঙ্গে ফেলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে লোহাগড়া থানায় এজাহার পাঠানো হয়েছে। জেলা পরিষদের উপ-সহকারী প্রকৌশলী ইমামুল হাসান বাদী হয়ে ঘর ভাঙ্গার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করবেন।









