জানা যায়, গত ৮ এপ্রিল বুধবার দুপুরে একটি পাখিভ্যানে চড়ে ২০/২২ বছরের দুই যুবক মাস্ক পরে আসে কাকিলাদহ গ্রামে। পরে যুবকদ্বয় ও ভ্যানচালক নিজেদের কুষ্টিয়া কাটায়খানা মোড়ের যুব সংঘের সদস্য পরিচয় দিয়ে গ্রামটিতে তারা ত্রান সহায়তা দেবার নাম করে বাড়ি বাড়ি ঘুরে লিস্ট করা শুরু করে। এ সময় তারা ৪১০ টি বাড়ীর সদস্য সংখ্যা, মোবাইল নং, জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি ও বাড়ী প্রধানের ছবি সংগ্রহ করে। প্রতি পরিবারের সদস্য সংখ্যা এবং মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে।
তালিকা করার সময় ওই গ্রামেরই আতিয়ারের ছেলে জিহাদ (২২) কেও তারা সাথে নেয়।
৪১০ এর মধ্যে আবার ২৫ জন বিধবার তালিকাও আলাদাভাবে করে নিয়ে যায় তারা।
পরেরদিন আবারও ওই ২ যুবক গ্রামটিতে এসে বলে কুষ্টিয়া কাটাই খানার মোড়ের যুব সংঘ থেকে ত্রাণ দিবে ২/৩ দিনের মধ্যেই পেয়ে যাবেন বলে আশ্বাস দেয়। যুবকদ্বয় তাদের ‘যুব সংঘ’ প্রধানের নাম বলে মাহাবুব হোসেনের নাম বলে এবং মাহাবুব হোসেন উত্তর বঙ্গের একটি জেলার এসপি ও তাঁর বাড়ী কুষ্টিয়া বলে উল্লেখ করেন।
পরে অভিযুক্তদ্বয় তাদের ব্যবহৃত ০১৯৭৩৮২০৩৭৭ নম্বর মুঠোফোন থেকে সকল পরিবারকে জানিয়ে দেয় জিহাদ আলীর কাছে ত্রানের প্যাকেটসহ আনুষঙ্গিক খরচ বাবদ পরিবারের সদস্য প্রতি ৫ টাকা করে ও বিধবা সদস্যদের ১০০ টাকা করে রবিবার সকাল সকাল ১০টার মধ্যে জমা দেওয়ার কথা বলে।
পরে অভিযুক্ত দুই যুবক জিহাদের নম্বরে ফোনে বলে টাকাগুলো পোড়াদহ গরুর হাট পার হয়ে মোড়ে পাশের এক দোকানে শামীম নামের এক ছেলেকে হাতে পৌঁছে দিতে। সেই মতো জিহাদ অারেক জনকে সাথে নিয়ে ৪৪২৫ টাকা দিয়ে অাসে। টাকা দেবার ৪ দিন গত হলেও প্রতারকদের ব্যবহৃত উপরোল্লিখিত মুঠোফোনটি বন্ধ রয়েছে।









