, , ,

শিরোনামঃ-




কেশবপুরের মীর্জানগর হাম্মামখানা প্রাচীন ইতিহাস ঐতিহ্যের লীলাভূমি

নয়া আলো অনলাইন ডেস্ক।

আপডেট টাইম : ডিসেম্বর ২৮ ২০১৯, ২২:১০ | 1852 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

বাংলার সুবেদার শাহ শুজার শ্যালকপুত্র মীর্জা সফসি খান ১৬৪৯ খ্রি: যশোরের ফৌজদার নিযুক্ত হন। ৩শ” ৬১ বছরের প্রাচীন স্থাপত্য যশোরের কেশবপুর উপজেলার মীর্জানগর হাম্মামখানা। দেশের দুর দুরান্ত থেকে পর্যটকরা এখানে আসলেও সুষ্ঠুব্যবস্থাপনা ও সুযোগ সুবিধা না থাকায় তারা ভ্রমন পিপাশা মেটাতে ব্যর্থ হচ্ছেন। সরকারিভাবে মীর্জানগর হাম্মামখানাটি রণাবেণের উদ্যোগ নেয়ার দাবি এলাকার মানুষের । যশোরের কেশবপুর উপজেলা সদর থেকে ৭ কিঃ মিঃ পশ্চিমে ঐতিহাসিক কপোতা নদ ও বুড়িভদ্রা নদীর সঙ্গমস্থল ত্রিমোহিনী নামক স্থানে বাস করতেন তিনি। তার নাম অনুসারে এলাকাটির নাম হয় মীর্জানগর। ত্রিমোহিনী-কেশবপুর সড়কের পার্শ্বে মীর্জা নগরের নবাব বাড়ি এখন ভগ্নস্তুপ বিশেষ, এই হাম্মামখানা ঘিরে এখনো মানুষের মুখে মুখে প্রচালিত আছে বহু কাহিনী ও ঘটনা। ঐতিহাসিক বাড়িটিকে ঘিরে এখনো নানা ঘটনা ও স্মৃতি মানুষের মুখে মুখে বয়ে বেড়াচ্ছে। বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়, সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে নুরলা খাঁ ফৌজদার নিযুক্ত হন। তিনি বুড়িভদ্রা নদীর দনি পাড়ে কিলাবাড়ি স্থাপন করে সেখানে বসবাস করতেন। সুবিস্তৃত পরিখা খনন করে আট দশ ফুট উচু প্রাচীর বেষ্টীত করে এটাকে মতিঝিল নামকরন করেন। এর একাংশে বৈতকখান, জোনানাসহ হাম্মামখানা (গোসল খানা) ও দূর্গের পূর্বদিকে সদর তোরণ নির্মান করেছিলেন। কামান দ্বারা দূর্গটি সুরতি ছিল। মীজানগরের কামানের ১টি যশোরের মনিহারে মোড়ে সংরতি আছে। হাম্মাম খানা বাদে আজ কিছুই অত নেই। চার ক বিশিষ্ট এবং একটি কুপ সমেত হাম্মাম খানাটি মোগল স্থাপত্য শৈলীর অনুকরনে নির্মিত হয়। স্থাপনাটি চার গম্বুজ বিশিষ্ট এর পশ্চিম দিকে পরপর দু’টি ক। পূর্ব দিকের ক দু’টি উচু চৌবাচ্চা হিসাবে ব্যবহার করা হত।পূর্ব পাশ্বে দেয়াল বেস্টনীর ভেতরে রয়েছে ৯ফুট ব্যাসের পোড়া মাটির ইটের তৈরি র্নিমিত সুগভীর কুপ, যে কুপ হতে পানি টেনে তুলে এক ছাদের দু’টি চৌবাচ্চায় জমা করে রোদ্রে গরম করে দেয়াল অভ্যান্তরে গ্রহিত পোড়ামাটির নলের মাধ্যমে স্নান কে সরবরাহ করা হত। স্থাপনাটির দনি পাশ্বে একটি চৌবাচ্চা এবং সুড়ঙ্গ রয়েছে যা তোষাখানা ছিল বলে ধারনা করা হয়। ১৯৯৬ সালে প্রতœতত্ত্ব বিভাগ এটিকে পুরার্কীতি হিসাবে ঘোষনা করে। যশোরের কেশবপুরের মীর্জানগর হাম্মামখানায় দশনাথী ও পর্যটকদের ভীড় ল্য করা যায়।আজও বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটক ও ভ্রমণ বিলাসী মানুষ ছুটে আসেন তার হাম্মামখানা দেখতে। প্রায় ৪শতক জমির উপর সেই বটবৃটি এখনও নিরলস ছায়া দিয়ে আগলে রেখেছে হাম্মামখানাসহ এলাকাটিকে। সবকিছুর পরও ভুমিদুশ্যদের লোলুপ দৃষ্টি থেকে রেহাই পায়নি এই স্থাপত্যশৈলির সম্পত্তি। সিংহভাগ সম্পত্তি ভূমিখেকোরা তাদের দখলে নিয়ে নিজেদের মতো করে চাষাবাদ করে নিজেদের ভাগ্যবদল করে চলেছে। তারপরও বছরের বিভিন্ন সময়ে পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে ডাকে তার সাথে একটু সংগ দেয়ার জন্য। হাম্মামখানাটি সংরন করে পর্যটন উপযোগি করে গোড়ে তোলা এখন এলাকাবাসির সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET