ছাগলনাইয়া পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ যশপুর এলাকার কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম স্বপন সরকারের খাদ্য বান্ধব ১০ টাকা মূল্যের চাল বিতরণে অনিয়ম করেছে দাবি করে স্থানীয় নুর আহাম্মদ চৌধুরী, বিবি খোদেজা, রহিমা বেগম ও মায়া বেগম নামক চার ব্যক্তি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। এছাড়াও এমন অভিযোগের ব্যাখ্যা দিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনও করেন তারা। উল্লিখিত চার ব্যক্তি লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, কাউন্সিলর স্বপন তাদের নামে সরকারি ১০ টাকা মূল্যের কার্ড তালিকাভুক্ত করলেও সেই কার্ড গুলো তাদেরকে না দিয়ে চাল আত্মসাত করেছে কাউন্সিলর। এ অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে পাল্টা সাংবাদিক সম্মেলন করে কাউন্সিলর স্বপন সাংবাদিকদের জানান, অভিযোগকারী চার ব্যক্তির নামে কার্ড করার পর তাদের মুঠোফোনে বার বার যোগাযোগ করেও তাদের সাথে যোগাযোগ করতে না পারায় কার্ড গুলো অন্যদের মাঝে বিতরণ করেছি। তিনি লিখিত বক্তব্য উল্লেখ করেন, এ বিষয়ে আমার পদ্ধতিগত ভুল হতে পারে তবে নীতিগত কোন ভুল ছিলোনা।
তবে সরকারি চাল আত্মসাতের বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়ে বিষয়টি আমলে নিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজিয়া তাহের। বিষয়টির সত্যতা যাচাই করতে উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনকে দায়িত্ব প্রদান করেন ইউএনও। তদন্ত কর্মকর্তা সরোজমিনে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করলে ১৬ আগস্ট ২০২০ ইং তারিখে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নয়াআলো ডটকমকে জানান, তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী অভিযোগকারী ব্যক্তির কার্ড দিয়ে অন্য লোক চাল উত্তোলন করেছে এ বিষয়টি সঠিক কিন্তু কার্ডগুলো বিতরণে আর্থিক সংশ্লেষ বা চাল আত্মসাতের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এক ব্যক্তির কার্ড অন্য ব্যক্তিকে বিতরণ করা হলেও তারাও গরিব শ্রেণীর লোক ছিলেন বলে প্রমাণ মিলেছে। তথাপিও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে এক ব্যক্তির কার্ড অন্য ব্যক্তিকে বিতরণ করা সমীচীন হয়নি।
অপরদিকে, তদন্তকারী কর্মকর্তা নয়াআলো ডটকমকে জানান, কাউন্সিলর স্বপনের বিরুদ্ধে চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগকারী চার ব্যক্তি তাদের অভিযোগ মৌখিকভাবে প্রত্যাহার করেছে। অভিযোগকারীরা অন্যের প্ররোচনায় কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেছে বলেও জানান তদন্তকারী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন।
Please follow and like us:









