একজন তুরণ নেতার রাজনৈতিক আদর্শ ও চিন্তাভাবনা।
আমরা সবাই বাংলাদেশী, সবাই ভাই ভাই। সুতরাং আমাদের উচিত হবে নিজেদের মধ্যে কলহ-দ্বন্বে না জড়ানো। আমাদের সহিংস রাজনীতি পরিহার করতে হবে। সহিংস রাজনীতি ধ্বংস ছাড়া কিছু দেয় না। সহিংস রাজনীতির মাধ্যমে আমরা নিজেদেরই সম্পদ নষ্ট করি এবং সামান্য কিছু আর্থিক লাভ বা অন্যায় সুবিধা লাভের জন্য আমরা নিজেদের মধ্য হানাহানি বা কলহে লিপ্ত হয়ে যাই। ফলে আমাদের কাজগুলি আমরা সময়মত সম্পন্ন করতে পারিনা এবং গরীব থাকি। অন্যান্য রাষ্ট্র গুলি আমদের এই দুর্বলতার সুযোগ নেয়। এছড়াও সহিংস রাজনীতি অনেক মানুষের জীবন কেড়ে নেয় বা পঙ্গুত্ব এনে দেয় তাদের সুন্দর জীবনে। হয়তবা এই লোকগুলোই ছিল তাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি।
২. ভাল কাজের জন্য আওয়ামীলীগ আর বিএনপি নয়, সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। তর্কের জন্য তর্ক বা ভাল কাজেও অহেতুক বিপক্ষ মতামত অবলম্বন করা পরিহার করতে হবে।
৩. অভাব-দারিদ্র্য একটা অভিশাপ। অভাব-অনটন মানুষের ভাল দিক বা প্রতিভা গুলিকে নষ্ট করে দেয়। অভাব দারিদ্র্য আমাদের মন্দ বা অন্যায় কাজ করতে কিছুটা হলেও প্রভাবিত করে। তাই আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মনযোগী হতে হবে এবং অভাব-দারিদ্র্য দূর করতে হবে।
৪. উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের পূর্ব-শর্ত। তাই যে কোন মুল্যে রাস্তা-ঘাট ভাল অবস্থায় রাখতে হবে।
৫. ধর্ম বা গায়ের রঙের ভিত্তিতে মানুষকে বিচার করা যাবে না। যে ভাল, যে যোগ্য তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
৬ . একটি সংসদীয় এলাকা বা রাষ্ট্রের আয়-ব্যয়ের হিসাব বা বাজেট জনগণকে জানাতে হবে। কারণ তারাই এই দেশের মালিক এবং তারাই এই দায়িত্ব পরিচালনার জন্য নেতা বা জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচিত করেন।
৭. শিক্ষা মানুষের মুল্যবোধ ও ব্যক্তিত্বকে শাণিত করে। আমাদের সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি উন্নত প্রযুক্তি আর জ্ঞান-বিজ্ঞানেও এগিয়ে যেতে হবে। কারণ আধুনিক যুগে উন্নত প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন ছাড়া জাতীয় উন্নয়ন ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা অনেক কঠিন।
(সো, লেট’স বি ইউনাটেড এগেইন)।
লেখকঃ তুরুণ নেতা এ্যাডভোকেট রায়হান কাওসার।








