ফ্রান্সে অনিয়মিতদের কাগজের দাবিতে ডাকা বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। ৩০ মে দুপুরে পূর্ব নির্ধারিত বিক্ষোভে পুলিশের নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই প্যারিসের মাদলেন চত্বরের আশে-পাশে অংশ নেন।
এ সময় সেখানে পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি সত্ত্বেও তারা ফ্রান্সে নিয়মিতকরণের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। ফ্রান্সে এসে অনিয়মিত হয়ে যাওয়ায় কাজের অনুমতি না থাকায় তারা ফ্রান্সের অর্থনীতি ও সমাজে উপকারী ভূমিকা রাখতে পারেছেন না বলে তারা উল্লেখ করেন। নিয়মিত হওয়ার সুযোগ পেলে তারা ফ্রান্সের সমস্যার বদলে জনসম্পদে রূপান্তরিত হবেন এমন দাবি করেন।
এই বিক্ষোভকে ঠেকাতে প্যারিস পুলিশ সদর দপ্তর থেকে ২৮ মে রিপাবলিক ও মাদলেন চত্বরে সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
পুলিশের প্রধান দিদিয়েখ ল্যালমোঁ এ নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই ২০৮টি সংগঠনের পক্ষ থেকে সংহতি জানানো প্রতিবাদ বিক্ষোভে মাদলেন চত্বরে উপস্থিত হন অনিয়মিতসহ অনেকেই।করোনা ভাইরাস মোকাবিলা সংক্রান্ত ১১ মে ২০২০ জারি করা বিধিনিষেধের ৭ নম্বর ডিক্রি অনুযায়ী ১০ জনের বেশি এক স্থানে সমবেত/সমাবেশ করা যাবে না বলে এই নিষেধাজ্ঞা কথা উল্লেখ করা হয় পুলিশের বিজ্ঞপ্তিতে।
প্রসঙ্গত, ফ্রান্সে অনিয়মিত ও কাগজহীন অভিবাসীদের নিয়মিতকরণের জন্য ফ্রান্স পার্লামেন্টে ১২০ এমপির আবেদনে সাড়া না দেয়ায় আগামী ৩০ মে দুপুরে রিপাবলিক চত্বরে বিক্ষোভ-প্রতিবাদের ডাক দেয় ফ্রান্সের কাগজহীন অভিবাসিদের কয়েকটি সংগঠন। তাদের সাথে ফ্রান্সের অনেকগুলো সংগঠন এই কর্মসূচিতে একাত্বতা প্রকাশ করে। তারা প্যারিসের রিপাবলিক চত্বরে বিক্ষোভের জন্য অনুমতি চায় ফ্রান্স স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে।
আন্দোলনের পক্ষের সংগঠনগুলো বলছে, ইতালি কাগজহীনদের কাগজের আওতায় আনছে, পর্তুগাল কাগজ প্রক্রিয়া সহজ করেছে, স্পেন অভিবাসি কাগজহীনদের কৃষি খামারে কাজের অনুমতি দিচ্ছে- এরই ধারাবাহিকতায় ফ্রান্স পার্লামেন্টের ১২০ এমপি ফ্রান্সের সরকারের কাছে ফ্রান্সের কাগজহীনদের ১৯৯৭ সালের মতো কাগজের প্রক্রিয়ায় আনার জন্য আবেদন সত্ত্বেও ফ্রান্স সরকার কোনো সাড়া না দেয়ায় তারা ৩০ মে প্যারিসের রিপাবলিক চত্বরের বিক্ষোভের ডাক দেয়।
Please follow and like us:








