বিশ্ব করোনা মহামারীতে থেমে নেই শরনার্থীদের বেঁচে থাকার জন্য নিরাপদ আশ্রয় দেশের খুঁজ। ইতিমধ্যে ইউরোপের নিরাপদ সীমান্ত বেষ্টনি ভেঙ্গে বিভিন্ন পথ দিয়ে প্রবেশ করে অভিবাসীদের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে পছন্দের তালিকায় শীর্ষে মানবিক রাষ্ট্র ফ্রান্স। তাদেরই একাংশ বাসস্থানের দাবিতে প্রায় ৩০০ অভিবাসী প্যারিসের ১০ নং ডিসট্রিক্টে অবস্থিত ভিলমিন পার্ক দখল করে রেখেছেন। আন্দোলনের নের্তৃত্ব দেয়া সংগঠন কালেক্টিভ রিকুইজিশন জানিয়েছে, রাস্তায় থাকা শরণার্থীদের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত কোন সিদ্ধান্ত না দেয়া পর্যন্ত তারা পার্ক দখল আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। আন্দোলনরত ৩০০ অভিবাসীর বেশিরভাগ আফগানিস্তান ও পূর্ব আফ্রিকা থেকে আগত। এদের মধ্যে অনেকে রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করেও নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের এপয়েন্টমেন্ট পাচ্ছেন না। আবার অনেকে ডাবলিন বিধিমালায় আওতায় তাদের আশ্রয় আবেদন জমা করতে পারছেন না। ৪৭০ জনের দায়িত্ব নিয়েছে সরকার
কয়েক মাস ধরেই আন্দোলন চলছে কালেক্টিভ রিকুইজিশন প্লাটফর্মের উদ্যোগে প্যারিসের বিভিন্ন স্থানে৷ অভিবাসীদের বাসস্থানের দাবিতে এটি তাদের ষষ্ঠ আন্দোলন। কয়েক হাজার বিক্ষোভকারীদের নিয়ে তারা বাসস্থানের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু করে গতকাল বিকালে প্যারিসের প্রাণকেন্দ্র রিপাবলিক চত্ত্বরে। ইল দ্য ফ্রঁন্স প্রিফেকচুর কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সমাবেশ অংশ নেয়াদের ৪৭০ জনের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শীঘ্রই তাদের দায়িত্ব সরকার গ্রহণ করবে। ইয়ান মানজি বলেন, রাষ্ট্রের ৭০০ এর বেশি অভিবাসীর কোন দায়িত্ব নেয়া হয়নি। এদের অর্ধেক সন্ধ্যায় প্যারিসের উত্তরে তাদের অস্থায়ী আবাসনে ফিরে যায়। ১০০ জন অভিবাসী বিভিন্ন সংস্থার অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে কাটায়৷ আর বাকি ৩০০ জন ভিলমিন পার্ক দখল করে রাত কাটানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
Please follow and like us:








