সিরাজগঞ্জে স্কুল শিক্ষিকার ছাদ বাগানে সবুজের সমাহার। রয়েছে ৩ শত প্রজাতির অধিক ফুল ও ফলের গাছ। ছাদের যেদিকে চোখ যায় শুধু গাছ আর গাছ। ফুলে ফুলে ছেয়ে আছে ছাদের সাজানো বাগান। পাশাপাশি বাড়ির চারপাশের বেলকুনিতেও ঝুলন্ত লতা। তাতে ফুটেছে নানান রঙের ফুল। সিরাজগঞ্জ পৌর শহরের চররায়পুর গ্রামের এডভোকেট কায়সার আহম্মেদ লিটনের স্ত্রী স্কুল শিক্ষিকা ফারজানা হকের বাড়িটিকে এভাবেই গাছের বাগান রূপে সাজানো। ছোট বেলা থেকেই বাগান করার শখ ছিল। কিন্তু সময়ের অপ্রতুলতায় সেই বাগান করা হয়ে ওঠেনি। এখন তিনি স্কুল শিক্ষিকা। তার সেই শখকে বাস্তবে রূপান্তরিত করতে শুরু করেন গাছ সংগ্রহ। শখের বশে দু-একটি করে গাছ সংগ্রহ করতে করতে এখন সেটি হয়েছে বিশাল এক সংগ্রহশালা। শখের সেই বাগানটি এখন বিশাল আকার ধারণ করেছে। অবসরে তার ছাদের বাগানে এসে দুদণ্ড দাঁড়ালে প্রাণ যেন জুড়িয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বাগানের ছবি দেখে বাগান দেখতে ছুটে আসে অনেকে।
সারি সারি করে টবে রাখা গাছগুলো যে কারও নজর কাড়ে খুব সহজেই। ফারজানা হকের বাগানে রয়েছে ৩ শতাধিকেরও বেশি দেশি-বিদেশি জাতের ফল, ফুল ও শোভাবর্ধন গাছসহ রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজির সমারোহ। রয়েছে বিলুপ্ত ও দুর্লভ প্রজাতির গাছগুলো। রয়েছে হরেক রকমের দেশি, বিদেশি সিজিনারি ফুল। তার বাগানে যে সমস্ত গাছ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে থাই আম, থাই চেরি, থাই জাম্বুরা, ছোবেদা, ডালিম, চাইনিজ কমলা, থাই কট লেবু, দেশি লেবু, উন্নত জাতের কদবেল, উন্নত জাতের থাই পেয়ারা, এবোক্যাডো, লংগিয়ান, আশফল, থাইসহ বেশ কিছু ফলের গাছ। রয়েছে ব্রায়া, জিমিয়া পাম্প অলস্পাইস, বিলিংহার্ড, বাগান বিলাস, এলোভেরা, চায়নিস বাম্বু, ড্রেসিনা ফরচুন, ট্রপিক স্নো, তুলসী ও বেশ কয়েক প্রজাতির ফুলের গাছ। টগর, বেলি, থায়কার্ট গোলাপ, টিউলিপ ইত্যাদি অন্যতম। তাছাড়া বেলকোনে ঝুলছে নানান প্রজাতির অর্কিড গাছ। ফুটেছে নানান ফুল। বাগানের ফল গাছগুলোতে ফল আসতে শুরু করেছে। বেশ কিছু গাছে ধরে আছে তাজা ফল। যে ফলগুলোতে কিটনাশক নেই। স্কুল শিক্ষিকা ফারজানা হক বলেন, প্রতিটি গাছই হোক মানুষের বেঁচে থাকার হাতিয়ার।









