মোঃ তাজমুল ইসলাম, তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ- তালায় বেঁধে রাখা হাতির শুরের চাপে জিহাদ(৯) নামে প্রথম শ্রেণীতে পড়–য়া স্কুল ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ২১ জুন বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার দিকে তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের গংগারামপুর গ্রামের পাকারমাথা নামক স্থানে ঘটেছে। সে তালা আল-আমীন প্রী- ক্যাডেট স্কুলের প্রথম শ্রেনীর ছাত্র ও গংগারামপুর গ্রামের হাসান গাজীর পুত্র। এ ঘটনার পর হাতির মামুদ পালিয়ে গেছে। এই হৃদয় বিদারক ও লোমহর্ষক এঘটনা শুনার পর হাজার হাজার জনতা একপলক দেখার জন্য ভিড় জমায়। দুপুরে জানাযা নামাজ শেষে জিহাদের পারিবারিক কবর স্থানে তাকে দাফন করা হয়। এঘটনায় এলাকার শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, বুধবার পাইকগাছাগামী হাতিটিকে নিয়ে যাওয়ার সময় রাত হয়ে গেলে মামুদরা গংগারামপুর পাকার মাথা নামক স্থানে মসজিদের পাশে হাতিটিকে বেঁধে রেখে পাশের দেবেন মন্ডলের বাড়িতে রাত যাপন করে। বৃহস্পতিবার ভোর বেলায় এলাকায় হাতি আসার খবর শুনে এলাকার শত শত শিশু-কিশোর জড়ো হয় হাতি দেখার জন্য। এসময় হাতিটি শুর দিয়ে উপস্থিতিদের তাড়া করলে সবাই ছুটে পালিয়ে যায়। কিন্তু জিহাদ অসাবধানতাবশত পা পিছলে পড়ে গেলে ক্ষুব্ধ হাতি তাকে শুর দিয়ে পেচিয়ে চেপে ফেলে দিলে সে ঘটনা স্থলে মারা যায়। এরপরও তাকে তালা হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্য ঘোষণা করে। স্থানীয়রা আরও জানান, প্রথমে হাতিটিকে জিহাদ ঢিল মেরে আঘাত করলে এই ঘটনাটি ঘটে।
এব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য প্রকাশ দালাল জানান, দেবেন মন্ডলের বাড়ী রাতে আশ্রায় নিয়েছিলো। সকালে এঘটনা শুনার পর আমি এসে হাতির মালিক কাউকে পাইনি তবে শুনেছি এর প্রকৃত মালিক এর বাড়ী সিলেটে। এই মালিকের নিকট থেকে বছরে সাড়ে তিন লাখ টাকা চুক্তিতে কুষ্টিয়ার রবিউল ইসলাম নিয়ে এসে বিভিন্ন এলাকায় টাকা আদায় করে বেড়ায়।
তালা থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী রাসেল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হাতির মামুদরা পালিয়ে গেছে। ঘাতক হাতিটিকে আটক করা হয়েছে।









