আব্দুল মোমিনঃ- পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা বিজ্ঞানী। ডাক্তার হ্যানিম্যান স্যারের ২৬৬ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক ছাত্র অধিকার সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত অনলাইন আলোচনা সভায় সম্মানিত প্রধান আলোচক এর বক্তব্যে ভারতের বিখ্যাত ডাক্তার অমরনাথ চক্রবর্তী পৃথিবীর ইতিহাসে হ্যানিম্যানের যে বিস্ময়কর আবিষ্কারঃ গুলো রয়েছে সেগুলো তুলে ধরেন এবং তার কর্মজীবন নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় তিনি আরো বলেন ভাইরাস এর প্রবর্তক ডাক্তার হ্যানিম্যান মায়াজম তত্ত্বের প্রবর্তক ও তিনি পৃথিবীতে চিকিৎসাবিজ্ঞানকে পরিপূর্ণতা দিতে তার অবদান অনস্বীকার্য।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে ডাক্তার খোন্দকার শাহিদুল হক বলেন করোনাভাইরাস প্রতিরোধে হোমিওপ্যাথির খুব ভালো চিকিৎসা রয়েছে। এই মুহূর্তে আমাদের এ বিষয়গুলো নিয়ে এগিয়ে আসা দরকার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সারাবাংলায় সাড়া জাগানো ডাক্তার আশরাফুল হক স্যার বলেন যে কোন জটিল রোগের হোমিওপ্যাথিক লক্ষণ অনুযায়ী ধাতুগত চিকিৎসা করে হোমিওপ্যাথি সফল হচ্ছে।
এসময় তিনি হোমিওপ্যাথির প্রতিষ্ঠাতা হ্যানিম্যানের জীবনী খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
বিশেষ আলোচক হিসাবে প্রখ্যাত ডাক্তার মোঃ ফেরদৌস বলেন আজকে আম দের প্রতিজ্ঞা হবে হোমিওপ্যাথি চর্চা করা এবং হ্যানিম্যানের মত আন্তরিকতা ও ভালবাসেনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থা কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
অনুষ্ঠানের সভাপতি, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক ছাত্র অধিকার সংগঠনের আহ্বায়ক আরমান হোসেন বলেন হ্যানিম্যান ও তার জীবদ্দশায় হোমিওপ্যাথি কে প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছেন আমাদের উচিত হ্যানিম্যানের জীবনী কে সঠিকভাবে উপলব্ধি করে হোমিওপ্যাথি কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথিক হসপিটাল প্রতিষ্ঠা করা জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক ছাত্র অধিকার সংগঠনের সদস্য সচিব মোঃ: মাসুম সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সারা বাংলাদেশ ও ভারতের প্রখ্যাত ডাক্তার বিন্দু ও বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক ছাত্র অধিকার সংগঠনের সকল ইউনিটের নেতৃবৃন্দ মনমুগ্ধকর আলোচনা শুনে সবাই অভিভূত হয়।
এ সময় আরো আলোচনা হয় বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথির বর্তমান প্রেক্ষাপট ও আমাদের উন্নয়নে করণীয় নানান বিষয় তুলে ধরা হয়। সকলে ঐক্যবদ্ধ হই হোমিওপ্যাথির উন্নয়নে হ্যানিম্যান হোমিওপ্যাথি প্রতিষ্ঠায় প্রচারে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার প্রত্যায় প্রকাশ করে।









