এ সময় ট্রাংক রোডে ইট-বালু রেখে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির জন্য হীরা কনফেকশনারির মালিক দেলোয়ার হোসেনকে (৪৮) ২০,০০০( বিশ হাজার) টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত করা হয়। ট্রাংক রোডের মাঝখানে বাস রেখে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির দায়ে মো: সুমনকে (৩০) ৫০০ (পাঁচশত) টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত করা হয়। এসময় ট্রাংক রোডের ফুটপাথে থাকা ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করা হয় শহরের হাসপাতাল মোড়ে। এ সময় রেজিস্ট্রেশনবিহীন ১০টি গাড়ির প্রত্যেকটির মালিককে ৫,০০ টাকা করে মোট ৫,৫০০ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত করা হয়। রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির দায়ে এক বাসচালকে ৫,০০/- টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত করা হয়। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন রহমত উল্লাহ ( ৪৮), জহিরুল ইসলাম ( ৩২), ইকবাল হোসেন (৩৫), মো: সেলিম ( ৩৮), ফয়েজ আহম্মেদ ( ৪৫), মো: রুমন ( ৩৫), রবিউল হোসেন ( ৪৭), মো: নুরনবী ( ৪০), আবু বক্কর ( ৪৮), মো: সিরাজুল ইসলাম ( ৫২)। রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির দায়ে মো: হেলাল নামে এক বাসচালককে ৫,০০ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত করা হয়।
এর আগে ট্রাংক রোডের অতিথি রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার ম্যানেজার মো: রাশেদুজ্জামানকে (৫৬) দেশী মুরগি বলে কক মুরগি বিক্রি ও অপরিষ্কার পরিবেশে খাবার সংরক্ষণের দায়ে ১৫,০০০/- টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত করা হয়।
অভিযানে জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর সুজন বড়ুয়া, পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর কৃষ্ণময় বণিক ও বিআরটিএ এর সহকারী মোটরযান পরিদর্শক মোশাররফ হোসেন ও ব্যাটালিয়ান আনসারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।









