দৌলতপুর প্রতিনিধি:- কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের দাঁড়ের পাড়া গ্রামের ফাতেমা (ছদ্দ নাম) (৪৫) কে ধর্ষন করেছে বলে জানান এলাকাবাসী। এলাকাবাসী মুক্ত যোদ্ধা হজরত আলী, মকবুল হোসেন, আজিজুল হক,নারগিস সহ আর অনেকে জানান একই গ্রামের মৃত মছের উদ্দিন ফকিরের ছেলে গোলাপ (৫২) এলাকায় প্রায় মানুষকে যৌন হয়রানি করেন। শনিবার রাত অনুমানিক ১১টা ৪৫ মিনিটে ঘরে প্রবেশ করেন এবং ফাতেমা (ছদ্দ নাম) ডাক চিৎকার করলে আমরা এসে দেখি পাখি বিবস্ত্র অবস্থাতে দাড়িয়ে আছে। এ বিষয়ে ফাতেমা (ছদ্দ নাম) জানান আমি শনিবার রাত ১১টা ৩০ মিনিট আমার তামাকের ঘরে জ্বালানি দেওয়ার সময় বৃষ্টি আসলে আমি বাড়ীর ভিতরে যায়। তার কিছু সময় পরে গোলাপ আমার ঘরে প্রবেশ করে এবং আমাকে জোর পূর্বক ধর্ষন করে। গোলাপ যখন আমার ঘরে প্রবেশ করে তখন বৃষ্টি বেশি হওয়ার করনে আমি চিৎকার দিলেও আশে পাশের মানুষ শুনতে পাই না । আমি বাইরে পালিয়ে চিৎকার দিলে এলাকাবাসী আমাকে উদ্ধার করে। এ বিষয়ে এলাকাবাসী আরও জানান গোলাপ সম্পর্কে পাখির ভাগ্নি জামায় সে যদি শাশুড়িকে ধর্ষন করতে পারে, তাহলে সে কি না করতে পারে? গোলাপ এর আগে অনেক মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে এমন কি তার জন্য এলাকার সাধারন মহিলারা স্বাধীন ভাবে চলাফেরা করতে ভয় পায় এবং সে রাত হলে মানুষের ঘরের কোনে কোনে ঘুরে বেড়াই। এ বিষয়ে ফাতেমা (ছদ্দ নাম) ছেলে জানান আমার মা এক জন বৃদ্ধা মানুষ আমাকে ৩ বছরের বাচ্চা রেখে আমার বাবা প্রায় ২০ বছর আগে মারা গেছেন, আমার মায়ের সাথে জোর পূর্বক এই ঘটনা ঘটিয়েছে তদন্ত পুর্বক গোলাপের বিচার চাই, যেন এমন কাজ আর কেউ না করে । বিষয়ে দৌলতপুর থানা অফিসার ইনচার্জ শাহ দাঁরা খান পি.পি.এম জানান এ বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে অভিযুক্ত কে আটক করা হয়েছে এবং ভিকটিম কে দ্রুত পরীক্ষার জন্য কুষ্টিয়া পাঠানো হয়েছে, তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






