বাউল সম্রাট লালন শাহ’র তীর্থভূমি ও দেশের সায সংস্কৃতির রাজধানী হিসেবে পরিচিত কুষ্টিয়া শহরও এখন যানজটের শিকার। ফলে এ শহরকে যানজট মুক্ত ও সড়ক যোগাযোগ নিরাপদ করতে প্রকল্প হাতে নেয়া হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় কুষ্টিয়া শহর ও বাজার অংশের ১৬ দশমিক ৪৮ কিলোমিটার সড়ক চার লেন এবং ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া-পাকশী-দাশুরি
ইতোমধ্যে ‘ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া-পাকশী-দাশুরি
প্রকল্পটি সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদফতর বাস্তবায়ন করবে। ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের জুনে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। আর এতে ব্যয় হবে ৫৭৪ কোটি ১৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।
এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের সুপারিশ হলো, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কুষ্টিয়া জেলার শহরাংশে চার লেনে উন্নীত এবং সড়কের প্রস্তাবিত অংশে প্রশস্ত ও মজবুত করা সম্ভব হবে। এতে কুষ্টিয়া শহরের যানজট কমানোসহ মূল সড়কটির উন্নত ও নিরাপদ যোগাযোগ স্থাপিত হবে।
প্রকল্পের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করে সওজ অধিদফতর বলছে, ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া-পাকশী-দাশুরি
অন্যদিকে এ সড়কের পাশে অবস্থিত কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়সহ হাট-বাজারের অংশ ও ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলো অপ্রশস্ত। লালন শাহ সেতুর কুষ্টিয়া অংশের এপ্রোচ দুর্বল। নিরাপদ ও উন্নত সড়ক যোগাযোগের জন্য প্রস্তাবিত অংশগুলো মজবুত করাসহ হার্ড শোল্ডার প্রশস্ত করা প্রয়োজন।
এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রস্তাবিত সড়কটির মোট ৪১ দশমিক ২২ কিলোমিটার অর্থাৎ কুষ্টিয়া শহর ও বাজার অংশের ১৬ দশমিক ৪৮ কিলোমিটার চার লেন এবং ২৮ দশমিক ৮৪ কিলোমিটার সড়কাংশ যথাযথ মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে এ প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।
কুষ্টিয়া জেলার সদর, মিরপুর ও ভেড়ামারা উপজেলায় এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এ প্রকল্পের আওতায় সড়ক বাঁধ উঁচু করা বা মাটির কাজ প্রশস্ত করা, বিদ্যমান পেভমেন্ট প্রশস্ত করা, বিদ্যমান পেভমেন্ট মজবুত করা, পেভমেন্ট পুনঃনির্মাণ করা, সার্ফেসিং, হার্ড শোল্ডার নির্মাণ, আরসিসি বক্স কালভার্ট নির্মাণ ১৩টি, ইউ ড্রেন নির্মাণ, ফুটপাথ নির্মাণ, বিদ্যমান ড্রেনের ওপর কভার/স্লাব নির্মাণ, বাস-বে নির্মাণ, ইন্টারসেকশন উন্নয়ন, জেনারেল অ্যান্ড সাইট ফ্যাসিলিটিস, নির্মাণকালীন রক্ষণাবেক্ষণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর, সাইন, সিগন্যাল, গাইড পোস্ট স্থাপন ইত্যাদি করা হবে।









