নজরুল ইসলাম চৌধুরীঃ
গত ৫ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ছাগলনাইয়া জমদ্দার বাজারের জিরো পয়েন্টে ঘোপাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঘোপাল ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুক হক মানিকের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাঠাননগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল হায়দার চৌধুরী জুয়েল ও নিজ দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত দাবী করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জুয়েল চৌধুরী।
রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪ টায় পাঠাননগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত বক্তব্যে জুয়েল চৌধুরী বলেন, ফেনী জেলা আ’লীগের কান্ডারী নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপির নেতৃত্বে এবং ফেনীর আওয়ামী পরিবারের অভিভাবক আলা উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম ভাইয়ের নির্দেশনায় ছাগলনাইয়া উপজেলার সাড়ে তিন লক্ষ মানুষের নেতা মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল’র অক্লান্ত পরিশ্রমে ও ত্যাগের বিনিময়ে ছাগলনাইয়া উপজেলা শান্তির জনপদ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এখানে দল মত নির্বিশেষে ব্যবসায়ী, চাকুরীজীবী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহ সকল মানুষ সহবস্থানে থেকে শান্তিপূর্ণ ভাবে জীবনযাপন করছে।
তিনি বলেন, গত ৫ সেপ্টেম্বর ছাগলনাইয়া জিরো পয়েন্টে নবনির্বাচিত উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এনামুল হক মজুমদারের নেতৃত্বে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের নিয়ে ঘোপাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুল হক মানিক সহ আ’লীগের নেতাকর্মীদের উপর প্রকাশ্য দিবালোকে বর্বরোচিত হামলা চালায়। উপস্থিত শত শত মানুষের সামনে যে হামলাটি করেছে তা ছাগলনাইয়ার ইতিহাসে স্মরণকালের ভয়াবহ হামলা।
জুয়েল চৌধুরী তার লিখিত বক্তব্য বলেন, উভয় পক্ষের মাঝে যে ভুল বুঝাবুঝি হয়েছিলো তা পুলিশ প্রশাসন ও উপজেলা আ’লীগ এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে মীমাংসা করা হয়েছিলো। তারপরও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এনাম মজুমদারের নেতৃত্বে আ’লীগের নেতাকর্মীদের উপর হামলা করা হয়। যা কারো কাম্য ছিলোনা।
তিনি আরো বলেন, মানিক চেয়ারম্যানের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমিসহ আওয়ামী পরিবারের নিরপরাধ নেতাকর্মীদের হয়রানির উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। ঐ ঘটনার সঙ্গে আমি বা আমাদের কোন নেতাকর্মী কোনভাবেই জড়িত নই। এছাড়াও বাঁশপাড়া গ্রামে বাড়ি-ঘরে হামলার যে সময় ও ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে তা একটি সাজানো নাটক। বাড়িতে হামলার যে সময় উল্লেখ করা হয়েছে ঐ সময়ে জনগণের নিরাপত্তা ও শান্তি নিশ্চিত করার লক্ষে পাঠাননগর সড়কে দেয়া ব্যারিকেড সরানোর জন্য ছাগলনাইয়া থানার ওসি মহোদয় আমাকে পাঠাননগরে পাঠিয়েছিলেন। ছাগলনাইয়া পৌর এলাকায় না থাকার পরও আমাকে মামলায় জড়ানো উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
তিনি বলেন, মানিক চেয়ারম্যানের ওপর হামলা ও আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রতিবাদ ও হানলাকারীদের বিচার দাবীতে ফেনী জেলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সমিতির পক্ষ থেকে ফেনীর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও ফেনী-২ আসনের সাংসদ বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এসময় ফেনীর ৪২ টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
Please follow and like us:









