, , ,

শিরোনামঃ-




পাথর চুরির পর এবার মেঘনায় বালুতে নজর লুটেরাদের।

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, নয়া আলো।

আপডেট টাইম : আগস্ট ১৯ ২০২৫, ২১:৩৬ | 798 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে মেঘনা নদীর পাড় ঘেঁষে ড্রেজার বসিয়ে অবাধে বালু উত্তোলন চলছে। এতে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে মেঘনা-ধনাগোদা বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের ৬৪ কিলোমিটার দীর্ঘ বেরিবাদ। স্থানীয়রা প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষুব্ধ।
গত রোববার (১৭ আগস্ট) থেকে দশানী, ষাটনল, নাছিরা কান্দি ও বোরচর এলাকায় প্রকাশ্যে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বালু সিন্ডিকেটের কিবরিয়া মিয়াজি ও তার সহযোগীরা এভাবে অবৈধ বালু তুলছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতোমধ্যেই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
দশানী গ্রামের কৃষক আবদুল হালিম বলেন, “দিনরাত মেশিন বসিয়ে বালু তোলা হচ্ছে। নদীর পাড় ধসে ফসলি জমি ও বসতভিটা নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বেরিবাদ ভেঙে গেলে পুরো এলাকা পানিতে তলিয়ে যাবে।”
আরেক স্থানীয় রফিকুল ইসলাম জানান, “প্রশাসনকে বারবার জানালেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যায়নি। মনে হচ্ছে বালু সিন্ডিকেট প্রশাসনকেও দমন করছে।”
পরিবেশবাদী সংগঠন মতলবের মাটি ও মানুষ-এর পরিচালক শামীম খান বলেন, “সরকারি নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও ড্রেজার চলে। এটি নদীভাঙন বাড়াচ্ছে, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্যও মারাত্মক হুমকি।”
মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি জানিয়েছেন, “অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে নিয়মিত নদীতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।”
চাঁদপুর জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মহসিন উদ্দিন বলেন, “বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ড মোতায়েন করা হয়েছে। অচিরেই যৌথ বাহিনীর অভিযান হবে। অবৈধ বালু উত্তোলনকারীরা পার পাবে না। বেরিবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হলে লাখো মানুষ বিপদে পড়বে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET