জানা যায়, কাশেম মেম্বার দক্ষিন-পশ্চিম অঞ্চলের জাসদ গনবাহিনীর শীর্ষ সন্ত্রাসী ভারতে নিহত আজিবার মেম্বারের সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলেন। তৎকালীন সময় অপহরন, চাঁদাবাজী, নদী দখল ও আজিবারের অস্ত্রের ভান্ডার এখনো তার কাছে রয়েছে বলে এলাকাবাসী জানান। কাশেমের ভয়ে এলাকাবাসী মুখ খুলতে সাহস পাইনা। প্রশাসন তদন্ত করলে বেড়িয়ে আসবে থলের বিড়াল।
এদিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির চারপাশ দিয়ে ঘিরে রেখেছে ওইসব ভূমিদস্যুরা। কান্না জড়িত কন্ঠে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান শিরীনা আক্তার ও তার মেয়ে ঘেড়ার ভেতর থেকে বলে আমরা এখন বাড়ি থেকে বের হতে পারছি না। আজ ৬ দিন ধরে স্কুলে যেতে পারছিনা।
এই বিষয়ে কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার এস এম তানভির আরাফাত পিপিএম(বার) সাথে কথা বললে তিনি জানান, অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এই বিষয় ঝাউদিয়া ক্যাম্পের ইনচার্জ জাহাঙ্গীরের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে। আগামী কাল (বৃহস্পতিবার) দুই পক্ষকে ক্যাম্পে ডাকা হয়েছে।
ঝাউদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি কেরামত আলীর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান, বিষয়টি আমি অবগত আছি। বাড়ি ঘিরে রাখা অত্যন্ত দুঃখজনক ব্যাপার।
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য কাশেম মোল্লার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, দিপু আমার জায়গা দিয়ে বের হচ্ছে। আমি এখনো ঘেরিনি কিন্তু কাল-পরশু জায়গা ঘিরে রাখবো। আপানারা আমার কিছু করতে পারলে করেন।
অপর অভিযুক্ত বিটুর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি ঘিরিনি। আমার কোন বিষয় না। আমার কোন জমি জায়গা নেই ওখানে। ঘিরেছে তারই চাচা নগরবাকা গ্রামের নওশদ ও আরাম।
এই বাড়ী ঘিরে রাখার জন্য এলাকায় চলছে চাপা ক্ষোভ। কাশেম মেম্বার দাপট দেখিয়ে এলাকার দুইটি পরিবারকে একঘরে করে রেখেছে বলে এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়। যার একটি পরিবার এলাকা ছাড়া হয়েছে।









